লালমনিরহাটে সেচ সম্প্রচারণ জরুরি

চিঠিপ্রতীকী ছবি

এটা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, তিস্তা ব্যারাজ লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত হলেও এখানকার এক ইঞ্চি জমি এখনো এই ব্যারাজ থেকে সেচসুবিধা পাচ্ছে না। লালমনিরহাটের কৃষকেরা বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত পাম্প ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দেন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এতে কৃষকেরা যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে গিয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সেচ মৌসুমে জাতীয় পর্যায়েও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য লালমনিরহাট জেলার সম্ভাব্য সব কৃষিজমিতে তিস্তা ব্যারাজ থেকে সরাসরি সেচসুবিধা সম্প্রসারণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, সরকার ইতিমধ্যে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় লালমনিরহাট জেলায় সেচসুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারীগামী রেলপথের দুই পাশের ফাঁকা জায়গাকে খালে রূপান্তর করা যেতে পারে। এতে জমি অধিগ্রহণের জটিলতা ও খরচ কমে আসবে এবং সহজেই সেচসুবিধার সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।

মো. দেলোয়ার হোসেন

আহ্বায়ক, লালমনিরহাট জেলা আর্থসামাজিক উন্নয়ন গবেষণা মঞ্চ