ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে বিভাগের গ্র্যাজুয়েটরা বলেন, সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে টেকনিক্যাল বিষয়ে আবেদন করার সুযোগ সীমিত। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিষয়ের মধ্যে সমুদ্র অর্থনীতি অন্যতম। কিন্তু সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ কারিগরি পদে কোথাও সংযুক্তি হচ্ছে না। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রকাশিত নন-ক্যাডার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ‘সামুদ্রিক মৎস্য শাখার পরিদর্শক পদে’ মৎস্যবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান ব্যতীত আর কোনো বিষয় চাওয়া হয়নি। আমরা মনে করি, সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ও এখানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, ‘পদটির কাজ পুরোটাই সমুদ্রভিত্তিক। এখানে দরকার অবশ্যই সমুদ্রবিজ্ঞানের গ্র্যাজুয়েট। কিন্তু এ পদে প্রাণিবিজ্ঞান ও মৎস্যবিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারবেন, কিন্তু সমুদ্রবিজ্ঞানের গ্র্যাজুয়েটরা আবেদন করতে পারবেন না, এটা আমাদের সঙ্গে চরম অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা যদি আমাদের সেক্টরে অবদান রাখতে না পারি, তাহলে সমুদ্রবিজ্ঞানী হয়ে আমাদের লাভটা কী হলো? আমরা চাই, নিয়োগটি সংশোধন করে আমাদের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হোক।’

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে এম আজম চৌধুরী বলেন, ‘এ নিয়োগে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের অন্তর্ভুক্তি করা ও আবেদনের সুযোগ দেওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। আমি এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাব, যেন সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করতে পারে।’

কে এম আজম চৌধুরী আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতি আমাদের আবেদন, যৌক্তিকতা বিবেচনা করে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওই পদে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হোক। নয়তো এ বিভাগে পড়াশোনা করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে তারা।’

ইফতেখার বিন আলী
শিক্ষার্থী, স্নাতকোত্তর
সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

চিঠি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন