সুন্দরবনের সকাল-সন্ধ্যা

কুয়াশায় মোড়ানো শীতের সকাল। দিনের প্রথম আলো ছড়াতে শুরু করেছে পুবাকাশে। আর এমন দৃশ্যের শুরু যদি হয় সুন্দরবনের গহিনে, তবে তো কথাই নেই। শীতকালে ভ্রমণের জন্য সবার প্রথম পছন্দ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এ সময় বনের অভ্যন্তরে নদী ও সমুদ্র থাকে শান্ত। তাই সুন্দরবন ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি—এ চার মাস। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অংশজুড়ে রয়েছে পৃথিবীর অপার বিস্ময়ের এই বন। প্রকৃতিপ্রেমী বা ‘ওয়াইল্ড লাইফ’ যাঁদের পছন্দ, তাঁদের জন্য সুন্দরবন একটি আদর্শ জায়গা। সবুজ বনে পাতা ঝরার শব্দ, পানির শব্দ, বাতাসে গাছের শব্দ ও ছোট-বড় খালগুলো পর্যটককে নিয়ে যায় এক নৈসর্গিক জগতে। গত শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সুন্দরবনের রূপ তুলে ধরা হলো ছবির গল্পে।

১ / ১১
মেঘ ও কুয়াশা ভেদ করে পুবাকাশে আলো ছড়াচ্ছে সূর্য
২ / ১১
সকালের আলো গায়ে মেখে চঞ্চল এক বানরের ছোটাছুটি
৩ / ১১
শ্বাসমূলের মধ্যে খাবার খেয়ে বেড়াচ্ছে ছোট্ট বানরটি।
৪ / ১১
বনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় পদচিহ্ন রেখে গেছে বাঘ
৫ / ১১
আলো ফুটতেই মাছ শিকারে গহিন বনে ছুটছেন জেলেরা
৬ / ১১
নৌকায় করে খালে খালে মাছ শিকারে ব্যস্ত জেলের দল।
৭ / ১১
খেপলা জাল ফেলে মাছ শিকার করছেন একদল জেলে।
৮ / ১১
নদীর মোহনা ও অভয়ারণ্যে মাছ শিকার নিষিদ্ধ হলেও অনেক জেলে তা মানেন না।
৯ / ১১
বনের মধ্যে সারি সারি গাছ যেন শৃঙ্খলা মেনে একইভাবে দাঁড়িয়ে আছে। মাঝেমধ্যে দেখা মেলে জেলেদের নৌকা।
১০ / ১১
হরিণ শিকার করে ফেলে গেছে বাঘ। মৃত হরিণ আহারে ব্যস্ত দুটি বন্য শূকর ও গুইসাপ। উড়ে এসেছে কাক ও বক।
১১ / ১১
সুন্দরবনের কটকা এলাকায় পশ্চিমের কাশে লাল আভা ছড়িয়ে বিদায় নিচ্ছে সূর্য। এখানে এসে জমতে শুরু করেছে পর্যটন নৌযানগুলো।