ভাঙার জন্য আনা জাহাজ

কোপা আমেরিকার যে মাঠে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ফাইনাল খেলা হলো, সেটির তিনটির মাঠের আয়তনের সমান এ জাহাজ। তেল পরিবহনকারী জাহাজটির নাম ‘ইএম ভাইটালিটি’। জাহাজটি লম্বায় ৩৪০ মিটার, ঠিক ৯৭ তলা উঁচু ভবনের মতো লম্বা। আয়তনে ১৯ হাজার বর্গমিটার। জাহাজটি আমদানির জন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এইচ এম শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডকে দিতে হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২০৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। শুল্ককর দিতে হয়েছে ১৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। জাহাজটি কেটেকুটে যা পাওয়া যাবে, তা বিক্রি করে ওঠানো হবে পুরো খরচ। খরচের চেয়ে বাড়তি যা পাওয়া যাবে, তা উঠবে লাভের খাতায়। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কদমরসুল এলাকায় এইচ এম শিপব্রেকিং ইয়ার্ড থেকে ছবিগুলো তোলা।

১ / ১৪
২৫ বছরের পুরোনো এই জাহাজ লম্বায় ৩৪০ মিটার।
২ / ১৪
এটি আয়তনে ১৯ হাজার বর্গমিটার।
৩ / ১৪
জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের সীতাকুণ্ড উপকূলীয় এলাকায় এইচ এম শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
৪ / ১৪
ইঞ্জিন চালু হওয়ার পর এই চিমনি দিয়ে ধোঁয়া বের হয়।
৫ / ১৪
জাহাজের এসব পাইপ দিয়ে তেল খালাস করা হয়।
৬ / ১৪
এসব বোর্ড দেখে নাবিক জাহাজ পরিচালনা করেন।
৭ / ১৪
তেল পরিবহনকারী জাহাজটির নাম ইএম ভাইটালিটি।
৮ / ১৪
নাবিক এখানে বসে জাহাজ চালান।
৯ / ১৪
এসব লোহার পাইপে তেল সরবরাহ করা হয়।
১০ / ১৪
এই কক্ষ থেকেই দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
১১ / ১৪
ইএম ভাইটালিটির সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর থাকার জায়গা এটি।
১২ / ১৪
জাহাজটি কাটতে সময় লাগবে প্রায় এক বছর।
১৩ / ১৪
তেল পরিবহনকারী জাহাজটির ভেতর সূর্যের আলোর প্রবেশ।
১৪ / ১৪
জাহাজটিতে দাঁড়ালে সীতাকুণ্ড পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়।