default-image

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, বাংলাদেশকে ছাপিয়ে আওয়ামী লীগ আজ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।

আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাংসদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আহসানউল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আওয়ামী লীগের তৃণমূলে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে প্রধান অতিথি ফারুক খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর জবাবে ফারুক খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা বিরাট রাজনৈতিক দল।

বাংলাদেশকে ছাপিয়ে আওয়ামী লীগ আজ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত হয়েছে। এই কথা শুধু আমরা বলছি না। বিশেষ করে, গত ১২ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে, সেটা আজ পৃথিবীর বুকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের কোটি কোটি কর্মী-সমর্থক আছেন উল্লেখ করে ফারুক খান বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, কিছু কিছু জেলায় আমাদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। এর বড় কারণ অনুপ্রবেশকারী।’

বিজ্ঞাপন

যেখানে অভিযোগ আছে, সেখানে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানান।

বিএনপির আমলে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন করা হতো বলে উল্লেখ করেন ফারুক খান। তিনি বলেন, ২০০১-এ বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। এই ধরনের রাজনীতিবিদেরা এখনো ভোট পান।

বাংলাদেশের জনগণকে বুঝতে হবে, বিএনপি-জামায়াতের মতো রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের প্রয়োজন নেই।

আহসানউল্লাহ মাস্টারকে নিজের বন্ধু উল্লেখ করে ফারুক খান বলেন, তিনি পরিচ্ছন্ন ও সাহসী রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাঁর মতো আরও আহসানউল্লাহ মাস্টার রাজনীতিতে দরকার।

প্রধান বক্তা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আহসানউল্লাহ মাস্টার শুধু গাজীপুরের জন্য নন, সারা দেশের মানুষের অধিকারের জন্য সোচ্চার ছিলেন।

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক কৌশল ছিল জনপ্রিয় রাজনীতিকদের হত্যা করা ও নির্যাতন করা। আহসানউল্লাহ মাস্টার সর্বমহলে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের আদর্শ ও নীতির কথা স্মরণ করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, নির্বাচনের রাজনীতিতে আহসানউল্লাহ মাস্টারকে পরাজিত করার মতো কোনো নেতা তাঁর জীবদ্দশায় গাজীপুরে ছিলেন না।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছক কেটে জনপ্রিয় রাজনীতিকদের হত্যা করা হয়। তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ড ছাড়াও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0