এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীরা একজন পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় বিএনপি অফিসে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছেন। বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সদস্য যে যুবক মারা গেছেন, প্রাথমিক রিপোর্টে ইটপাটকেলের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে। তবে বিএনপি লাশ সৃষ্টি করতে চায়, এর অংশ হিসেবে ভোলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

পুলিশকে অবহিত না করেই আগস্ট মাস শুরুর আগে ভোলায় বিএনপি মিছিল-সমাবেশ করেছে বলে দাবি করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এরপরও তারা (বিএনপি) যেন মিছিল-সমাবেশ করতে পারে, সে জন্য পুলিশ সহযোগিতা করেছে। যখন তারা দোকানপাট ভাঙচুর করা শুরু করল ও পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করল, তখন পুলিশকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে হয়েছে। শুধু ইটপাটকেল নিক্ষেপ নয়, বিএনপি পুলিশের প্রতি গুলি ছুড়েছে। বিএনপির ছোড়া গুলিতে ভোলায় কর্মরত কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া একজন পুলিশ সদস্যকে ধরে পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে তারা মারধর করে।

হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উসকানিমূলক ও অশোভন বক্তব্যের জন্য আজ তিনি সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়েছেন। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য গুজব রটানো ও ক্রমাগতভাবে মিথ্যাচার করা, এটাই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতির প্রতিপাদ্য। আগস্ট মাস এলে তাদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এখনো রাস্তায় নামেননি, উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) রাজপথ দখল করার কথা আমরা বহু আগে থেকে শুনে আসছি। আমরা সবাই রাজপথে নামলে কী দাঁড়াবে, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমরা এখনো আমাদের নেতা-কর্মীদের সেই আহ্বান জানাইনি। তবে আমি নেতা-কর্মীদের অনুরোধ জানাই, বিএনপি দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

বিএনপির হরতাল ডাকার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও হরতাল ডেকেছিল, তখন দেশব্যাপী যানজট হয়েছে। হরতাল ডেকে বুঝতে পেরেছে, তাদের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না। আর আগের মতো তারা অবরোধ ডেকে দিনের পর দিন মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার অপচেষ্টা চালালে মানুষই বরং তাদের প্রতিহত করবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন