জবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাখাওয়াতুল ইসলামের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, মুবাইদুরের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের ‘সন্ত্রাসীরা’। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এতে বলা হয়, এই নৃশংসতার নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন জবি ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলারও নির্দেশনা দিয়েছেন তাঁরা।

আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষা শেষে মুবাইদুরকে ধরে নিয়ে ক্যাফেটেরিয়া ও দ্বিতীয় ফটকের মাঝামাঝি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাঁড়ানো বাসের মধ্যে প্রচণ্ড মারধর ও নির্যাতন করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা মুঠোফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা। ঘটনায় যুক্তরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

জবি ছাত্রদল সভাপতি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে অভিযোগ জানাতে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব প্রক্টরের। তাই আমরা অভিযোগ না জানালেও তাঁর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমরা লিখিত অভিযোগও জানাব।’

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসে ছিলাম। ছাত্রলীগের কারও এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়েছে কি না, আমাদের জানা নেই।’

রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামালের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।