মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহাসমাবেশের সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

মহাসমাবেশে যোগ দিতে আজ সকাল থেকেই যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছেন।

বিভিন্ন এলাকা থেকে যুবলীগের হাজারো নেতা-কর্মী দল বেঁধে বাস, পিকআপ, মোটরসাইকেলে করে মহাসমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন। তাঁরা নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার পর মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন।

মহাসমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সংগঠনের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে তৈরি টি-শার্ট, ক্যাপ পরেছেন। তাঁরা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড বহন করছেন। ভুভুজেলাসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়ে অবস্থান করে দেখা যায়, বাস-পিকআপ-মোটরসাইকেলে করে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মহাসমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের পরনে এক রঙের টি-শার্ট। মাথায় ক্যাপ। হাতে পতাকা। যেতে যেতে তাঁরা নানান স্লোগান দিচ্ছেন। সারি সারি পিকআপে সাউন্ডবক্স বাজানো হচ্ছে। অনেকে ভুভুজেলা বাজাচ্ছেন।

এ ছাড়া অনেকে পায়ে হেঁটে মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছেন। এ কারণে কোথাও কোথাও যানজট তৈরি হতে দেখা গেছে।

যুবলীগের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

যুবলীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাসমাবেশকে সফল করতে মোট ১০টি উপকমিটি করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশস্থলে প্রবেশের জন্য পাঁচটি গেট করা হয়েছে।