গতকালের এ ‘হামলার’ ঘটনায় পৃথকভাবে দুটি বিবৃতি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিবৃতিতে বলা হয়, সাইফুলের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁকে গুরুতর আহত করা হয়। এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় তারা।

জবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষা শেষে দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় প্রথমে সাইফুলকে আটক করে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তাঁর ওপর হামলা চালান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। হামলায় শাহিনের চোখ ও ঠোঁটে জখম হয়। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইন বলেন, ‘এমন কোনো ঘটনা (হামলা) ঘটেছে বলে আমার জানা নেই।’

১৭ নভেম্বর ক্লাস শেষে ফেরার পথে শাখা ছাত্রদলের আরেক নেতা হামলার শিকার হয়েছিলেন। এই হামলার জন্যও ছাত্রলীগের কর্মীদের দায়ী করেছিল জবি ছাত্রদল।