আন্দোলনে জামায়াতি ‘ট্যাগ’ লাগাতে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি: জোনায়েদ সাকি
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সরকারবিরোধী যে আন্দোলন করছে, তাতে জামায়াতি ‘ট্যাগ’ লাগানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তাঁর ভাষ্যমতে, এই চেষ্টার অংশ হিসেবেই দীর্ঘদিন পর জামায়াতে ইসলামীকে ঢাকায় সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
শুক্রবার পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত দলীয় সভায় জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। যাঁরাই সরকারের অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরোধিতা করছেন, তাঁদেরই স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।’
জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কালিমা এনেছে। সামরিক বাহিনীর ওপরে শান্তি রক্ষা মিশনে যুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তৈরি পোশাকশিল্পের লাখ লাখ শ্রমিকের জীবিকার ওপরে হুমকি চলে আসছে। নিজেদের গদি রক্ষায় দেশকে নিলামে তোলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার আগে গণসংহতি আন্দোলন পাবনা জেলা শাখার সদস্যদের অংশগ্রহণে দলীয় বর্ধিত সভা হয়। সেখানে সবার মতামতের ভিত্তিতে ১৩ সদস্যের জেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
১৩ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জুলহাসনাইন বাবুকে। যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মির্জা রানা ও কামরুল হাসানকে। কমিটির সদস্যসচিব হয়েছেন শেখ আজহার আর যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল আলিম। কমিটির সদস্যদের মধ্যে আছেন রোকেয়া খাতুন (সদর), আবু হানিফ (সদর), সানোয়ার হোসেন (বেড়া), লিমন সরকার (বেড়া), ফজর আলী (সাঁথিয়া), আমিনুল ইসলাম (ফরিদপুর), জাকির হোসেন (ঈশ্বরদী) ও মাসুম পারভেজ (ঈশ্বরদী)।
এ ছাড়া সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি নতুনভাবে গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। মতবিনিময় সভা শেষে জোনায়েদ সাকি পাবনা জেলার নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রানা সুপারমার্কেটে দলের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করেন।