গতকাল রোববার ভোলা সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিতে আবদুর রহিম মাতবর নিহত হন। সংঘর্ষে আহত হন দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। গতকাল বেলা ১১টার দিকে জেলা সদরের মহাজনপট্টিতে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবিতে বিএনপির ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে এ সংঘর্ষ হয়।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ভোলায় আমার ভাইয়ের রক্ত ঝরেছে। এটি ছিল একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। সেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ গুলিবর্ষণ করেছে। আমরা আবদুর রহিমের রক্ত বৃথা যেতে দিতে পারি না। তাঁর এই আত্মত্যাগকে ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে আরও বেগবান হয়ে এ সরকারকে পরাজিত করতে হবে।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ভোলায় আবদুর রহিম মাতবরের রক্তদানের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, এ দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-নিপীড়নকে ভয় করে না। রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে হলেও তারা এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই গায়েবানা জানাজার মধ্য দিয়ে আবদুর রহিমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসিব করেন। আর যাঁরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, তাঁরা যেন সুস্থ হয়ে আসেন।’

গায়েবানা জানাজায় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও আব্দুস সালাম, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ও জাগপার লুৎফুর রহমান অংশ নেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন