বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা চেন্নাইয়ের বিপর্যয় শুরু হয় ইনিংসের দ্বিতীয় বল থেকেই। স্যামসের বলে এলবিডব্লু হন ডেভন কনওয়ে। তবে বিদ্যুৎ–বিভ্রাটে সে সময় ছিল না রিভিউ। ২ বল পর মঈন আলীর উইকেট নিয়ে অবশ্য সংশয় ছিল না চেন্নাইয়ের। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ২৯ রান তুলতে তারা হারায় ৫ উইকেট—রবিন উথাপ্পা, রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের পর ফেরেন আম্বাতি রাইডুও।

ছয়ে নামা মহেন্দ্র সিং ধোনি ৩৩ বলে অপরাজিত থাকেন ৩৬ রান করে, তিনি ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন আর তিনজন। ডোয়াইন ব্রাভোর সঙ্গে ধোনির জুটিতে ওঠে ৩৯ রান, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান এসেছে ধোনির সঙ্গে মুকেশ চৌধুরীর শেষ উইকেট জুটিতে। ১০০-ও তাই ছোঁয়া হয়নি চেন্নাইয়ের। নিজেদের ইতিহাসের এর চেয়ে কম রানে এর আগে চেন্নাই থেমেছিল একবারই, ২০১৩ সালে।

স্যামস ৪ ওভারে ৩ উইকেট দিয়েছেন মাত্র ১৬ রান দিয়ে। ১ উইকেট নিলেও ৩ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়েছেন বুমরা। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রাইলি মেরেডিথ ও কুমার কার্তিকিয়া।

default-image

রান তাড়ায় চেন্নাইকে প্রথম আশা জোগান মুকেশ চৌধুরি। প্রথম ওভারে তাঁর বলে কট-বিহাইন্ড হন ঈশান কিষান। মাঝে ১৪ বলে ১৮ রান করা মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মার উইকেট নেন সিমারজিত সিং। পঞ্চম ওভারে এসে তিনে নামা স্যামসকেও ফেরান মুকেশ। ১ বল পর ট্রিস্টান স্টাবসকে এলবিডব্লু করেন মুকেশ, মুম্বাই পরিণত হয় ৩৩ রানে ৪ উইকেটে।

মুম্বাই সে চাপ সামাল দেয় পঞ্চম উইকেটে তিলক বর্মা ও এ ম্যাচ দিয়ে দলে ফেরা হৃত্বিক শোকিনের ৪৭ বলে ৪৮ রানের জুটিতে। ২৩ বলে ১৮ রান করা শোকিনকে ফিরিয়ে সে জুটি ভাঙেন মঈন। তবে টিম ডেভিডের ৭ বলে ১৬ রানের অপরাজিত ক্যামিওতে ৩১ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত হয় মুম্বাইয়ের। বর্মা ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ৩২ বল খেলে।

জন্মদিনে কাইরন পোলার্ডকে বাদ দিয়ে নেমেছিল মুম্বাই। তাঁকে জয় ‘উপহার’ অবশ্য ঠিকই দিতে পেরেছে রোহিতের দল।

১২ ম্যাচে এটি মাত্র তৃতীয় জয় মুম্বাইয়ের, ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার নিচে তারা। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে মুম্বাইয়ের ঠিক ওপরে চেন্নাই।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন