লিটনও সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন ২৭ বলে ৬০ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে। এতে ভারতের ১৮৪ রানও খুব দূরের কিছু মনে হচ্ছিল না। কিন্তু নাজমুলের ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে রানআউট হওয়ায় লিটনের ইনিংসটি দীর্ঘ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ডিএলএসের হিসাব–নিকাশে ৫ রানের হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।

তবে বাংলাদেশ জিততেও পারত, এ সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে লিটনের সে ইনিংসই। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ম্যাচ শেষে সে কথাই বলছিলেন, ‘দারুণ ফর্মে আছে। সে এই মুহূর্তে আমাদের সেরা ব্যাটসম্যান। যেভাবে সে প্রথম ছয় ওভারে ব্যাটিং করেছে, সেটা আমাদের ইনিংসে মোমেন্টাম এনে দিয়েছে। ম্যাচটা জিততেই পারি, তখন থেকেই আমরা বিশ্বাস করা শুরু করি। কারণ, এক পাশে বাউন্ডারি ছোট ছিল। বলও ভালো আসছিল।’

সংবাদ সম্মেলনে গত এক বছর লিটনের ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করায় সাকিব সংশোধন করে দিয়েছেন, ‘শেষ এক বছর নয়, আমার মনে হয় ও দুই–তিন বছর ধরে খুব ভালো খেলছে। টি–টোয়েন্টিতে এ বছর খুব ভালো যাচ্ছে। অন্য দুই সংস্করণেও অসাধারণ খেলেছে। টেস্ট–ওয়ানডের আত্মবিশ্বাস ও টি–টোয়েন্টিতে টেনে এনেছে। ও জানে, কীভাবে রান করতে হয়। আজকেরটা আউট অব দ্য বক্স ইনিংস নয়। এ ধরনের ইনিংস নিয়মিত খেলার সামর্থ্য ওর আছে।’

লিটন ভালো শুরু এনে দিলেও বাকিরা সে গতিতে এগোতে পারেননি। মাঝের ওভারে তালগোল পাকিয়ে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তবু নুরুল হাসান ও তাসকিন আহমেদের চেষ্টায় শেষ ওভারে এসে ঠেকে ম্যাচটি, যেখানে বাংলাদেশের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২০ রান। কিন্তু সে ওভারে একটি চার ও একটি ছক্কায় ১৪ রান নিতে পেরেছে বাংলাদেশ।

১৪ বলে ২৫ রান করা নুরুল সে কারণেই একটি বাউন্ডারির আক্ষেপ করছিলেন। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের নুরুল বলছিলেন সে কথাই, ‘লিটন একটা ভালো মঞ্চ গড়ে দিয়েছিল। আমরাও কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলাম। শেষ ওভারে আমিও আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। কিন্তু আমাদের একটা বাউন্ডারি কম হয়ে গেছে।’