টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে আজ অ্যাডিলেডে যেমনটি ঘটেছে, ভারতের বিপক্ষে এমন অভিজ্ঞতা সাকিবদের আগেও হয়েছে। বেঙ্গালুরু, কলম্বো থেকে শুরু করে দুবাই—শেষ বলে বেদনার গল্প লেখা হয়েছে সব প্রান্তেই। আজকের আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই দলের শেষ দেখা হয়েছিল ২০১৬ সালে।

বেঙ্গালুরুর সেই ম্যাচে ভারতের ১৪৬ রান তাড়া করতে ম্যাচের শেষ ৩ বলে ২ রান প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু ৩ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ হেরে বসে ১ রানে।

দুই বছর পর কলম্বোয় নিদাহাস ট্রফিতেও প্রায় একই গল্প। প্রথমবারের মতো ত্রিদেশীয় সিরিজ জেতার হাতছানি ছিল সাকিবদের সামনে। ম্যাচের শেষ বলে ভারতের দরকার ছিল ৫ রান। ছয় মেরে ভারতকে জিতিয়ে দেন দিনেশ কার্তিক।

একই বছর ওয়ানডে সংস্করণের এশিয়া কাপ ফাইনালেও সমাপ্তি শেষ বলে। বাংলাদেশের ২২২ রান তাড়া করতে নেমে ৫০তম ওভারের শেষ বলে লেগ বাই থেকে পাওয়া রানে শিরোপা জেতে ভারত।

ম্যাচের শেষ বলে ভারতের কাছে হারে আজ লেখা হলো চতুর্থ গল্প। দুঃখের, কিন্তু চেনা গল্পের আরেকটি মঞ্চায়নের পর সাকিবের মুখে ফুটে উঠল পরিহাসের হাসি।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হার্শা ভোগলের প্রশ্নের জবাবে বললেন, ‘আমরা যখন ভারতের সঙ্গে খেলি, গল্পটা এমনই হয়। আমরা জয়ের খুব কাছাকাছি চলে যাই, কিন্তু শেষ ধাপ আর পার হওয়া হয় না।’