default-image

চতুর্থ দিন শেষে ১১২ রানে অপরাজিত আছেন পাকিস্তানের ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক। তাঁর সঙ্গী মোহাম্মদ রিজওয়ানের রান ৭। পাকিস্তানের জন্য অবশ্য বড় বাধা বাঁহাতি স্পিনার প্রবাত জয়াসুরিয়া। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ৫ উইকেট নেওয়া প্রবাত দ্বিতীয় ইনিংসে দেখা দিয়েছেন বিধ্বংসী রূপে। পাকিস্তানের ৩টি উইকেটের ২টিই নিয়েছেন তিনি। প্রথম বোলার হিসেবে অভিষেকের পর টেস্টে টানা চার ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড হাতছানি দিচ্ছে প্রবাতকে।

পাকিস্তানকে জয়ের পথে নিয়ে গেছেন মূলত শফিক, ইমাম-উল-হক ও বাবর। ইমামকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৮৭ রান তুলেছেন শফিক। রমেশ মেন্ডিসের বলে নিরোশান ডিকভেলাকে ক্যাচ দেওয়ার আগে ফেরার আগে ৭৩ বলে ৩৫ রান করেছেন ইমাম।

default-image

এরপর আজহার আলীও দ্রুত চলে গেলে বাবরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শফিক। দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙে প্রবাতের বলে বাবর ৫৫ রান করে আউট হয়ে ফিরলে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে এর আগে তোলেন ১০১ রান। বাবরের আউটের পর রিজওয়ানকে নিয়ে দিনের বাকি সময়টা আর কোনো উইকেট পড়তে না দিয়ে পার করে দেন শফিক।

টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক করা শফিক খেলেছেন খুব দেখেশুনে, ধীরেসুস্থে। তাঁর ৩৮.৭৫ স্ট্রাইক রেটই তা বলে দেয়। ১১২ রান করতে ২৮৯টি বল খেলেছেন শফিক। চার মেরেছেন ৫টি, ছয় একটি। এর আগে শ্রীলঙ্কা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে ৩৩৭ রানে। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন দিনেশ চান্ডিমাল, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৬ রান কুশল মেন্ডিসের।

default-image

গলের স্পিনবান্ধব উইকেটে টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে কখনো ৩০০ রানের বেশি করতে পারেনি কোনো দল। এই ভেন্যুতে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংসটা ঠিক ৩০০। সেই ইনিংসটাকেই অনুপ্রেরণা হিসেবে নিতে পারে পাকিস্তান। ২০১২ সালে ইনিংসটা যে তারাই খেলেছিল। যদিও ৫১০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করে পাকিস্তান হেরেছিল ২০৯ রানে।

গলে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার। ২০১৯ সালের আগস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে জিতেছিল তারা ৬ উইকেট।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন