গ্রুপ ২-এ নেদারল্যান্ডস ছাড়া বাকি সব দলের সামনেই আছে সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা। তাই শেষে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে রানরেট। ডাচদের তুলনামূলক দুর্বল বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে রানরেট বাড়ানোর সুযোগ ছিল বাবর আজমদের সামনে। যদিও সেই কাজটা করতে পারেনি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা।

তাই ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ জয়ের আনন্দ প্রকাশের সঙ্গেও হতাশাও ঝরেছে বাবরের কণ্ঠে, ‘জিতলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তবে আমরা এর রান তাড়ায় এর চেয়ে ভালো ছিলাম। এই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো সামনের ম্যাচে কাজে লাগবে।’

চোট থেকে ফিরেই বিশ্বকাপ খেলা শাহিন শাহ আফ্রিদি নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই ম্যাচে; ১৯ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। যদিও সব আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছেন লেগ স্পিনার শাদাব খান। পাকিস্তানি লেগ স্পিনারের ঘূর্ণিতে রীতিমতো হাঁসফাঁস করছিল ডাচ ব্যাটসম্যানরা। ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তিনিই হয়েছেন ম্যাচসেরা।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে স্টাম্পে বল করেই সফল হয়েছেন শাদাব। সঙ্গে কাজে লেগেছে তাদের বিপক্ষে আগে খেলার অভিজ্ঞতা, ‘উইকেটটা ভালো ছিল। আমি শুধু স্টাম্পে বল করার চেষ্টা করেছি। গত নেদারল্যান্ডস সফরে ও কাউন্টি ক্রিকেটে এদের বিপক্ষে বল করার অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছে।’