এ বছরের শুরুতে এসিসি প্রেসিডেন্ট জয় শাহ এশিয়ান ক্রিকেটের আগামী দুই বছরের সূচি প্রকাশ করেন। এই সূচিকে ‘একতরফা’ বলে আখ্যা দেয় পিসিবি। গতকাল সোমবার লাহোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিসিবি প্রধান বলেন, ‘কিছুদিন ধরে এসিসি বোর্ডের বৈঠক হচ্ছে না। এর মধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার একটিকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি। ভালো খবর হচ্ছে, একটি বৈঠকের বিষয়ে তাদের রাজি করানো গেছে। আমি সেই বৈঠকে থাকব।’

ভারত সরকারের অনাগ্রহের কারণে দেড় দশক ধরে পাকিস্তানে খেলতে যায়নি ভারত। এক দশক ধরে বন্ধ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সিরিজও। ভারত-পাকিস্তানের মাঠের দেখা যা হয়, বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ বা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।

পূর্বের সূচি অনুসারে ওয়ানডে সংস্করণের ২০২৩ এশিয়া কাপ হওয়ার কথা পাকিস্তানে। গত বছরের ১৮ অক্টোবরের বিসিসিআইয়ের বোর্ড সভা শেষে জয় শাহ জানান, এশিয়া কাপ হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।

এর জবাবে ‘২০২৩ সালে আইসিসি বিশ্বকাপ খেলতে পাকিস্তানের ভারত সফর এবং ২০২৪-২০৩১ চক্রে ভারতে আইসিসির ভবিষ্যৎ ইভেন্টেও প্রভাব ফেলতে পারে’ উল্লেখ করে বিবৃতি দেয় পিসিবি। ওই বিবৃতির সময় পিসিবির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন রমিজ রাজা।

গত মাসে তাঁর জায়গায় এসেছেন নাজাম শেঠি। শেঠির আগের মেয়াদে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের চুক্তির প্রতি সম্মান না দেখানোর বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল পিসিবি। তবে সেই চুক্তি ‘আইনগত নয়, নৈতিকতায় বাধ্যগত’ ছিল উল্লেখ করে রায় দেন আইসিসির ডিসপুট রেজ্যুলেশন কমিটি। মামলায় হেরে জরিমানাও দেয় পিসিবি।

এবার এশিয়া কাপ খেলতে ভারত পাকিস্তানে না এলে পিসিবি আবারও আক্রমণত্মক পথে হাটবে কি না প্রশ্নে শেঠি বলেন, ‘দেখা যাক, কী করা যায়। তবে আবার মামলা করতে চাই না। তবে এটাও বলব, আগের মামলা যথাযথ পরিচালনা করা হয়নি। বিচারকেরা কিন্তু বলেছিলেন, এই মামলা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলে পাকিস্তানের পক্ষে যায়। কিন্তু টেলিস্কোপ দিয়ে দেখলে ভারতের পক্ষে। মোট কথা, এটা পাকিস্তানের পক্ষেই ছিল। কিন্তু তারা ভারত সরকারের কথা বলে বেঁচে যায়।’