পন্টিং-পন্ত জুটিতে ২০২১ সালে কোয়ালিফায়ারে খেলেছিল দিল্লি। গত মৌসুমে ছিল পয়েন্ট তালিকার পাঁচ নম্বরে। দিল্লিকে নিয়ে পন্টিংয়ের পরিকল্পনার বড় একটা অংশ ছিলেন এই পন্ত। অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি পন্টিং মনে করেন খেলতে না পারলেও অধিনায়ক পন্তের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি।

আইসিসি রিভিউতে পন্তকে নিয়ে পন্টিং বলেছেন, ‘যদি সে শারীরিকভাবে খেলার মতো ফিট না হয়, তাহলেও আমরা তাকে আমাদের সঙ্গে রাখতে চাই। সে দলের সঙ্গে থাকবে, একজন অধিনায়ক হিসেবে তার মনোভাব এবং দুর্দান্ত হাসি, যা আমরা সবাই খুব পছন্দ করি, তা আমরা আমাদের সঙ্গে রাখতে চাই। যদি সে ভ্রমণ করতে এবং দলের আশপাশে থাকতে সক্ষম হয়, আমি চাই সে সপ্তাহের প্রতি দিন ডাগআউটে আমার পাশে বসুক।’

পন্ত ছাড়া দিল্লির স্কোয়াডে উইকেটকিপার আছেন দুজন—ফিল সল্ট ও সরফরাজ খান। সল্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা নেই। অন্যদিকে সুযোগ পেয়েও সরফরাজ আইপিএলে এখনো নিজের সেরাটা দিতে পারেননি।

গত ডিসেম্বরে হওয়া ছোট পরিসরের নিলামেও দিল্লি কোনো উইকেটকিপারকে দলে নেয়নি। তাই পন্তের বিকল্প কে হবেন, এ নিয়ে ভাবছেন পন্টিং, ‘পন্তের মতো ক্রিকেটারদের বিকল্প নেই। এ ধরনের ক্রিকেটাররা গাছে ধরে না। আমাদের তার বিকল্প খুঁজতে হবে, এরই মধ্যে খোঁজা শুরু করেও দিয়েছি।’

গত ৩০ ডিসেম্বর দুর্ঘটনার শিকার হন পন্ত। ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে পন্তের মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িটি উল্টে যায় এবং আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় হাঁটুর মূল তিনটি লিগামেন্টই ছিঁড়ে গেছে এই উইকেটকিপারের। কয়েক দিন আগেই পন্তের হাঁটুর দুটি লিগামেন্টে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে তৃতীয় লিগামেন্টে অস্ত্রোপচার এখনই করা যাচ্ছে না। চিকিৎসকেরা ধারণা করছেন, ছয় সপ্তাহ পর তৃতীয় লিগামেন্টটিতে অস্ত্রোপচার করা হবে।