default-image

তবে অমন ওভারের পরও অধিনায়কের সমর্থন ভালোভাবেই পাচ্ছেন নাসুম, ‘মূল বোলারদের ওপর ভরসা করতে হবে। আমিও তার ওপর আস্থা রেখেছি। টি-টোয়েন্টিতে এমন হতেই পারে।’

অবশ্য হারারের এমন উইকেটে ১৫৭ রানের লক্ষ্যও খুব বড় ছিল না। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের কাজটা কঠিনই করে তুলেছে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর মিডল অর্ডার থেকেও কেউ শেষ করে আসতে পারেননি ম্যাচ। আফিফ হোসেন শেষ পর্যন্ত ছিলেন, তবে দলকে পার করাতে পারেননি তিনি। ব্যাটিংয়ে এমন ব্যর্থতার কারণ হিসেবে মোসাদ্দেক বলেছেন জানা কথাটিই, ‘অবশ্যই অনেক ভালো ব্যাটিং উইকেট ছিল। ১৫৭ তাড়া করা উচিত ছিল। দ্রুত উইকেট হারানোয় সেটি হয়নি। নিয়মিত উইকেট হারালে আসলে কঠিন। (তবে) আফিফ চেষ্টা করেছে।’

বাংলাদেশের মতো তিন পরিবর্তন নিয়ে নেমেছিল জিম্বাবুয়েও। সিরিজে প্রথমবারের মতো খেলেছেন ব্র্যাড এভান্স, অভিষেক হয়েছে জন মাসারার। উইলিয়ামস খুশি তাঁর খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতা দেখে, ‘আমাদের নিয়মিত একাদশের মতো বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রাও ভালো, সেটি ভেবেই নেমেছি আমরা। সহজেই ছিটকে যেতে পারতাম আমরা। তবে ছেলেরা লড়াইয়ের মানসিকতা দেখিয়েছে।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারের পর এবার ওয়ানডের অপেক্ষা বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে হারের পর ওয়ানডে নিয়ে যে সুর উঠেছিল, মোসাদ্দেকও কথা বললেন সেভাবেই, ‘সবাই জানে আমরা ওয়ানডে ভালো। ফিরে আসার সেরা চেষ্টাটাই করব আমরা।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন