অধিনায়ক পান্ডিয়াকে ‘আশীর্বাদ’ মনে হয় সুদর্শনের
আইপিএল ফাইনালে গুজরাট জেতেনি, তবে গুজরাটের ব্যাটসম্যান সাই সুদর্শন ঠিকই জিতেছেন। ৪৭ বলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলা এই ২১ বছর বয়সী ক্রিকেটারে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকে। আউট হয়ে ফেরার সময়ে সেদিন সতীর্থরা সবাই তাঁকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াও সুদর্শনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেদিন আইপিএলের মতো বড় মঞ্চে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে কীভাবে ইনিংসটি খেলেছিলেন সুদর্শন, এমন কৌতূহল আছে অনেকের। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই গল্পই জানিয়েছেন সুদর্শন।
ফাইনালে আগে ব্যাট করা গুজরাট প্রথম ছয় ওভারেই তোলে ৬২ রান। তবে শুবমান গিল আউট হলে রানের গতি কিছুটা কমে আসে। তরুণ সুদর্শনও প্রথম ১০ বল খেলেন একটু দেখেশুনে। এরপরই ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হন, ‘আগের ইনিংসগুলোতে যখন শুবমান গিলের সঙ্গে ব্যাটিং করেছি, তখন তিনি দ্রুত রান তুলেছেন। ফাইনালে আমি ব্যাটিংয়ে পেয়েছি ঋদ্ধিমান সাহাকে, রানের গতি তখন কিছুটা কম। দলের ১ উইকেট চলে গেছে। আমার মনে হয়েছে এখন সুযোগ নেওয়া উচিত।’
পুরো আইপিএলে ডেথ ওভারে চেন্নাইয়ের ভরসা হয়ে ছিলেন শ্রীলঙ্কার বোলার মাহিশা পাতিরানা। বড় সংগ্রহ পেতে হলে তাঁর বিপক্ষে হাত খুলে খেলতেই হতো গুজরাটের ব্যাটসম্যানদের। সেই কাজটাই করেছেন সুদর্শন, ‘পাতিরানার বল কিছুটা স্কিড করে, সে কারণে তার বিপরীতে আমি আমার স্টান্স একটু নিচু করেছিলাম। খুব ভেবেচিন্তে করেছি তা নয়, আপনাকে বোঝাতে পারব না। এটা এমনিই হয়ে গিয়েছিল।’
আইপিএলের সর্বশেষ মৌসুম ও এর আগের মৌসুমে নতুন গুজরাটকে নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় এসেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গুজরাট এবার খেলল ফাইনালে। সবচেয়ে বড় বিষয় দুই আসরেই দল হিসেবে খেলেছে গুজরাট। সুদর্শনের মুখেও শোনা গেছে পান্ডিয়ার প্রশংসা, ‘হার্দিক পান্ডিয়ার মতো একজন অধিনায়ক থাকা আশীর্বাদ। সে আপনাকে পারফর্ম করার সুযোগ ও আত্মবিশ্বাস দেবে। শেষ ম্যাচে (প্রথম কোয়ালিফায়ার) আমি কিছু বল মিস করেছিলাম, যেটায় আমার রান পাওয়া উচিত ছিল। সে (হার্দিক) আমাকে এই আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল যে আমি বড় শট খেলতে পারি ও দলের জন্য কাজটা করতে পারি।’