সুপার টুয়েলভে উঠতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পার হতে হবে প্রথম রাউন্ডের গণ্ডি। যেখানে ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড।

তুলনামূলকভাবে ছোট দল দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে গিয়ে প্রত্যাশায়ও লাগাম টানছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক, ‘আমাদের দলে অনেকগুলো নতুন মুখ, তরুণ খেলোয়াড়। জিতি বা হারি, আমাদের দল হিসেবে একতাবদ্ধ থাকতে হবে।’

তবে খেলাটা টি-টোয়েন্টি বলেই নিজেদের সম্ভাবনার বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছেন না পুরান। ভালোমন্দ যেকোনো কিছু সম্ভব বোঝাতে গিয়ে সর্বশেষ তিন আসরের ক্যারিবীয় দলের উদাহরণ টেনেছেন তিনি, ‘যে দুবার আমরা বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, তখন অনেকগুলো বড় নামের খেলোয়াড় ছিলেন। আবার বেশ কয়েকটি বড় নাম থাকার পরও কিন্তু গত আসরে আমরা সেমিফাইনালে উঠতে পারিনি।’

২০১২ ও ২০১৬ সালে বিশ্বকাপ জেতা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সর্বশেষ আসরে গেইল-ব্রাভোদের নিয়েও দ্বিতীয় রাউন্ডে আটকে গিয়েছিল। বড় খেলোয়াড় না থাকলেও যে সাফল্য পাওয়া যায়, সেই যুক্তি তুলে ধরতে গিয়ে পুরান টেনেছেন অস্ট্রেলিয়ার কথা, ‘গত বছর শিরোপা জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। ওদের কিন্তু খুব একটা বড় নাম ছিল না। তারপরও দল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পেরেছে, যা বিশ্বকাপ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। আমাদের বেলায়ও তেমনই। আমাদের দলে বড় নাম নেই। কিন্তু আমরা এমন একটি দল গড়তে পেরেছি, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। এখন মাঠে নামা, আর একে অপরের সঙ্গে একতাবদ্ধ থাকলেই সব ভালোভাবে এগোবে।’

এবারের আসরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে আগামীকাল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।