বল ছাড়াই স্টাম্পিং করলেন পাকিস্তানের কিপার, চলছে বিতর্ক—আসল ঘটনা কী
টি–টুয়েন্টি সিরিজ শেষ হয়েছে গত পরশু। পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজ শেষ করে এরই মধ্যে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ–আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কাতে পৌঁছে গেছে। তবে এমন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় ছড়িয়ে পড়েছে সদ্য শেষ হওয়া এই সিরিজে ভুল করে কুপার কনোলিকে আউট দেওয়ার ভিডিও। এ নিয়ে চলছে বিতর্ক।
মূল ঘটনা কী?
লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টি-টুয়েন্টি ম্যাচে গত পরশু অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার কুপার কনোলিকে ভুলভাবে স্টাম্পড আউট ঘোষণা করা হয়।
রোববার গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার রান তাড়ার সময় ১৪তম ওভারে এই ঘটনা ঘটে। স্পিনার মোহাম্মদ নেওয়াজের বল খেলতে এগিয়ে যান কনোলি। ব্যাটে–বলে হয়নি। উইকেটকিপার খাজা নাফে দ্রুত বেলস ফেলে দেন এবং আম্পায়ার কনোলিকে আউট দেন।
ভুলটা কোথায়
নাফে যে হাত দিয়ে স্টাম্প ভেঙেছেন, সেই হাতে বল ছিল না। অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী এটি বৈধ স্টাম্পিং ছিল না। কিন্তু আম্পায়ার ও ধারাভাষ্যকাররা কেউই বিষয়টি খেয়াল করেননি। সেই ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ার ছিলেন পাকিস্তানের নাসির হুসেইন ও রশিদ রিয়াজ। টিভি আম্পায়ার ছিলেন পাকিস্তানের তারিক রাশিদ।
উইকেটকিপার খাজা নাফে নিজেও স্বীকার করেননি যে স্টাম্পিংটি নিয়ম অনুযায়ী বৈধ ছিল না। ফলে কুপার কনোলিকে বাধ্য হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যেতে হয়। কাল এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নিয়ম কী বলছে
ছেলেদের টি- টুয়েন্টি খেলার নিয়মের ধারা ২৯.২.১ অনুযায়ী, ‘কোনো ফিল্ডার যদি হাত বা বাহু দিয়ে উইকেট ভাঙেন, তাহলে সেই হাত বা বাহুতে অবশ্যই বল থাকতে হবে। বল হাতে থাকলেই শুধু বেলস পুরোপুরি স্টাম্প থেকে সরে গেলে বা স্টাম্প উঠে গেলে সেটিকে বৈধভাবে উইকেট ভাঙা বলা হয়।’
এই আউটের প্রভাব কী ম্যাচে
খুব একটা প্রভাব পড়েনি। কনোলি যখন আউট হন, তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৭ উইকেটে ৮২। দলটির লক্ষ্য ছিল ২০৮ রান। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় মাত্র ৯৬ রানে।