নুরুল–ঝড়ে দুর্বারের জয়

৭৬ রান করেছেন নুরুল হাসানশামসুল হক

ধূমকেতুর ছায়া থেকে বেরিয়ে দুরন্তের মতো আলো ছড়াতে পারেনি দুর্বারও—গল্পটা হওয়ার কথা ছিল এমনই। কিন্তু সেটা হতে দেননি নুরুল হাসান। প্রায় একা হাতেই দুর্বারকে ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছেন তিনি। শেষ ২ ওভারে ৩৬ রানের সমীকরণ মিলিয়ে দেওয়ার পথে একাই নিয়েছেন ২৭ রান। সব মিলিয়ে করেছেন ৪৪ বলে ৭৬ রান।

১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে আজ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া ধূমকেতু একাদশকে ২ উইকেট হারিয়েছে দুর্বার। ৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর কাজটাকে প্রায় অসম্ভবই মনে হচ্ছিল তাদের জন্য।

এমন সময়েই এক প্রান্তে আশা হয়ে থেকে সাইফউদ্দিনের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েন নুরুল। ১৮তম ওভারে সাইফউদ্দিন আউট হয়ে যাওয়ার পর দুর্বারের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে যায় আরও। কিন্তু পরের ওভারে শরীফুল ইসলামকে ৪ ছক্কায় ২৬ রান নিয়ে জয় এনে দেন নুরুল।

আরও পড়ুন

আগে ব্যাট করা ধূমকেতুর ব্যাটসম্যানরাও কাল মিরপুরে তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ৫ চারে ৩৭ বলে ৪৩ রান করা লিটন দাসই ছিলেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবু তাদের রানটা দেড় শ ছাড়িয়েছে কয়েকজন ব্যাটসম্যানের ছোট ছোট সংগ্রহে—২৭ বলে মেহেদী হাসান অপরাজিত ছিলেন ৩১ রানে। ২০ বলে ২৮ রান এসেছে সাইফের ব্যাট থেকে।

ম্যাচসেরা নুরুল
প্রথম আলো

দুরন্তর চেয়ে ‘এ’ দলের বোলাররা ধূমকেতুর ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২ উইকেট পাওয়া হাসান মাহমুদ আর তানভীর ইসলাম দুজনই ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৫ রান।

এই রান নিয়েই দুর্বারকে চেপে ধরেছিল ধূমকেতু। দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ আর মেহেদীই আটকে রেখেছিলেন শুরুতে। ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে মেহেদী নেন ৪ উইকেট। কিন্তু সবকিছুই ম্লান হয়ে গেছে ৪ চার আর ৬ ছক্কায় নুরুলের ৪৪ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে।

কাল দুর্বারের বিপক্ষে আকবর আলীর দুরন্ত বড় ব্যবধানে জয় না পেলে এ দুই দলই ফাইনালে খেলবে।

আরও পড়ুন