আফগানিস্তানের কাছে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারল জিম্বাবুয়ে
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় জয় পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার পথে তখন কিছুটা এগিয়েই গিয়েছিল তারা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে অল্প ব্যবধানের একটা জয়ই তাদের ফাইনালে তুলে দিতে পারত। কিন্তু জয় তো দূর, উল্টো বড় ব্যবধানে হেরে গেছে জিম্বাবুয়ে।
আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৫৮ রানে হেরেছে তারা। জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা জিতলেই ফাইনালে ওঠার পথটা সহজ হতো বাংলাদেশের, তখন শেষ ম্যাচে জিতলেই হতো। আবার অল্প ব্যবধানে হারলেও শেষ ম্যাচে কঠিন সমীকরণের সামনে পড়তে হতো বাংলাদেশকে। কিন্তু এখন জিম্বাবুয়ের বড় হারে কাজটা একটু কম কঠিন হওয়ার কথা।
আজ টস জিতে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের সামনে ২৯৫ রানের লক্ষ্য দেয় আফগানিস্তান। বড় রান তাড়া করতে নেমে ৪৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল।
তাদের জুটিতে এক শ পেরোয় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু তাদের জন্য এবার বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান রশিদ খান। রায়ান বার্লকে এলবিডব্লু করে রাজার সঙ্গে তাঁর ১১২ বলে ৬৪ রানের জুটি ভেঙে দেন। ৬৩ বলে ৩১ রান করে বার্ল আউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে জন্য দুই শ পার করাটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে যায়।
৪৮ রান করা রাজাকে বোল্ড করে সেটিও প্রায় অসম্ভব করে দেন রশিদ। ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়েকে এখন তাকিয়ে থাকতে হবে আগামী পরশু আফগানিস্তান–বাংলাদেশ ম্যাচের দিকে। ৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট পান রশিদ।
এর আগে ভালো শুরুর পর ২০ বলে ২৫ রান করে আফগানিস্তানের ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ আউট হন। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরান ও সেদিকুল্লাহ আতালের ১৪৯ বলে ১৪০ রানের জুটি আফগানিস্তানকে বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।
৯৬ বলে ৯০ রান করে ইব্রাহিম আউট হলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন আতাল। তাঁর ১১০ বলে ১০২ রানের ইনিংসে ভর করে ২৯৪ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান। সেটিই শেষ পর্যন্ত তাদের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়েছে।