- রাজশাহীকে ২ উইকেটে হারাল চট্টগ্রাম
- চট্টগ্রাম পারবে?
- ৬ বলে দরকার ১০ রান
- গ্লাভসে বল, স্টাম্প ভাঙতে পারলেন না কিপার মুশফিক
- ২৪ বলে ৩২ রান দরকার চট্টগ্রামের
- ‘আড়মোড়া’ ভাঙতেই ফিরলেন মেহেদী
- অবশেষে পঞ্চাশের ঘরে চট্টগ্রাম
- ৬ বলের মধ্যে ৪ উইকেট হারাল চট্টগ্রাম
- রাজশাহী ২০ ওভারে ১২৮/৯
- রাজশাহীর মন্থর গতি
- আকবর আউট
- রাজশাহী এগোতে পারছে না
- টিকলেন না বার্লও
- দ্রুত রান তুলতে পারছে না রাজশাহী
- খোঁচা মারতে গিয়ে আউট মুশফিক
- ছক্কার নেশায় আউট
- নাজমুল আউট
- অন্য প্রান্তেও স্পিনার
- তানভীরে আউট ওয়াসিম
- ওয়াসিম তাঁর চেনা ঢংয়ে
- ভালো শুরু শরীফুলের
- চট্টগ্রাম একাদশ
- রাজশাহী একাদশ
- পিচ রিপোর্ট
- টস
- স্বাগতম!
রাজশাহীকে ২ উইকেটে হারাল চট্টগ্রাম
লক্ষ্যটা অনেক বড় ছিল না। ওভারপ্রতি দরকার ছিল ৭ রানেরও কম। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম ওভার মিলিয়ে মাত্র ৬ বলের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছিল চট্টগ্রাম।
২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর দলটি প্রাথমিক বিপর্যয় সামলায় মেহেদী হাসান–হাসান নওয়াজের ৪০ রানের পঞ্চম উইকেট জুটিতে। এরপর নওয়াজের সঙ্গে আসিফ আলীর জুটি যোগ করে আরও ৩৫ রান।
তবে শেষ দিকে রিপন মণ্ডল ও তানজিম হাসানের আঁটসাঁট বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় রাজশাহী। শেষ ওভারে চট্টগ্রামের দরকার ছিল ১০ রান। অফ স্পিনার মেহরবের প্রথম তিন বলে ৮ রান নিলেও চতুর্থ ও পঞ্চম বল ডট দেন নওয়াজ। তবে শেষ বলে লং অফে বল পাঠিয়ে নওয়াজ ও শরীফুল প্রয়োজনীয় দুই রান তুলে নিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম। নওয়াজ অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ৩৫ রানে।
রাজশাহীর হারের পেছনে আগে ব্যাট করে পুঁজি (রান) কম তো একটা কারণই, আরেকটা কারণ দুটি রানআউটের সুযোগ মিসও। ২০ রানে থাকা নওয়াজকে মুশফিক আর শেষ ওভারের প্রথম বলে শরীফুলকে রানআউট করতে পারেননি মেহরব।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ২০ ওভারে ১২৮/৯ (মেহরব ১৯, ওয়াসিম ১৯, আকবর ১৭, মুশফিক ১৫; জামাল ৩/২৩, শরীফুল ২/২০, তানভীর ২/২৬)। চট্টগ্রাম রয়্যালস: ২০ ওভারে ১২৯/৮ (নওয়াজ ৩৫*, মেহেদী ২৮, আসিফ ২৭; বিনুরা ৩/১৮, মেহরব ২/২৫)। ফল: চট্টগ্রাম রয়্যালস ২ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: হাসান নওয়াজ।
চট্টগ্রাম পারবে?
প্রথম বল: নওয়াজ দুই রান নিলেন। বল গিয়েছিল মিড উইকেটে। রান আউট হতে পারতেন শরীফুল। তবে বোলার মেহরব বল হাতে রাখতে পারেননি। আরেকটি রান আউট মিস রাজশাহীর।
দ্বিতীয় বল: আবারও দুই রান নিলেন নওয়াজ। স্কয়ার লেগে গিয়েছিল বল। আকবর আলীর ভালো ফিল্ডিং।
তৃতীয় বল: ফুল টস। বোলারের মাথার ওপর দিয়ে বল বাউন্ডারিতে। চার।
চতুর্থ বল: ডট।
পঞ্চম বল: ডট।
ষষ্ঠ বল: লং অফে বল ঠেলে দুই রান। দ্বিতীয় রান পূর্ণ হতেই উল্লাসে মাতলেন শরীফুল, ব্যাট ছুঁড়ে ফেললেন শূন্যে। ও দিকে বাউন্ডারির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা চট্টগ্রামের খেলোয়াড়েরাও ঢুকে পড়লেন মাঠে। চট্টগ্রামের দারুণ জয়। ব্যবধান ২ উইকেটে।
৬ বলে দরকার ১০ রান
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৯ ওভারে ১১৯/৮। লক্ষ্য: ১২৯।
উনিশতম ওভারে তানজিম হাসান দিয়েছেন মাত্র ৩ রান। তাতে জয়ের জন্য শেষ ওভারে চট্টগ্রামের দরকার ১০ রান। ব্যাটিংয়ে হাসান নওয়াজ ও শরীফুল ইসলাম। শেষ ওভার করবেন মেহরব হোসেন।
গ্লাভসে বল, স্টাম্প ভাঙতে পারলেন না কিপার মুশফিক
১৭তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর বলে আউট হয়েছেন আসিফ আলী। চট্টগ্রামের জয় তাই অনেকটাই নওয়াজের ওপর নির্ভর করছে। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে এই নওয়াজই রানআউট থেকে বেঁচেছেন। দুই রানের জন্য দৌড়েছিলেন নওয়াজ। কিপার মুশফিক আগেভাগে বল হাতে পাওয়ায় স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু হাত নড়ালেও স্টাম্পে লাগাননি। বেঁচে গেছেন নওয়াজ।
এই রানআউট মিস রাজশাহীকে কতটা ভোগাবে, সামনেই বোঝা যাবে। এ সময় নওয়াজ ব্যাট করছিলেন ২০ রানে, চট্টগ্রামের দরকার ছিল ১৭ বলে ২৩ রান।
২৪ বলে ৩২ রান দরকার চট্টগ্রামের
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৬ ওভারে ৯৭/৫। লক্ষ্য: ১২৯।
চট্টগ্রামের ষষ্ঠ উইকেটে জুটি বেঁধেছেন দুই পাকিস্তানি আসিফ আলী ও হাসান নওয়াজ। ১২তম ওভারের প্রথম বল থেকে সর্বশেষ পাঁচ ওভারে তাঁরা যোগ করেছেন ২৯ রান।
জয়ের জন্য শেষ ৪ ওভারে ৩২ রান দরকার চট্টগ্রামের। হাতে ৫ উইকেট। আসিফ ২১ ও নওয়াজ ১৮ রানে ব্যাট করছেন।
‘আড়মোড়া’ ভাঙতেই ফিরলেন মেহেদী
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১২ ওভারে ৭৪/৫। লক্ষ্য: ১২৯।
দশ ওভার শেষ হওয়ার পর রান তোলায় গতি বাড়াতে চেয়েছিলেন মেহেদী হাসান। ১১তম ওভারের প্রথম বলে সন্দীপ লামিচানেকে ছক্কাও মেরেছেন। তবে একই ওভারের শেষ বলে বোল্ডই হয়ে গেছেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক। ২৫ বলে ২৮ রান করে ফিরেছেন দলকে ৬৮ রানে রেখে।
নতুন ব্যাটসম্যান আসিফ আলী।
অবশেষে পঞ্চাশের ঘরে চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১০ ওভারে ৬০/৪। লক্ষ্য: ১২৯।
৬ বলের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর চট্টগ্রামের ব্যাটিংয়ের রানের গতি কমে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে পঞ্চাশে পৌঁছেছে চট্টগ্রামের রান।
উইকেটে থাকা অধিনায়ক মেহেদী হাসান ও হাসান নওয়াজ সতর্ক ব্যাটিং করছেন। মেহেদী ২০ বলে ২১ এবং নওয়াজ ১৪ বলে ১১ রানে ব্যাট করছেন।
অবশ্য লক্ষ্যটাও অনেক বড় নয়। এখন পর্যন্ত ওভারপ্রতি দরকার ৭ রানের কম।
৬ বলের মধ্যে ৪ উইকেট হারাল চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ৫ ওভারে ২৮/৪। লক্ষ্য: ১২৯।
উদ্বোধনী জুটিতে ২৪ রান তোলার পর বড় বিপর্যয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মাত্র ৬ বলের মধ্যে আউট হয়েছেন ৪ ব্যাটসম্যান।
বিপর্যয়ের শুরুটা হয়েছে চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে। মেহরব হোসেনের বলে তানজিমের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন অ্যাডাম রসিংটন। একই ওভারের শেষ বলে মেহরবের হাতেই ক্যাচ দিয়েছেন নতুন ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান।
এরপর বোলিং করতে এসে বিনুরা ফার্নান্দো প্রথম দুই বলে নিয়েছেন দুই উইকেট। মোহাম্মদ নাঈম হয়েছেন এলবিডব্লু, সাদমান ইসলাম ব্যাট দিয়ে বল টেনে এনেছেন স্টাম্পে।
বিনা উইকেটে ২৪ থেকে ৪ উইকেটে ২৮ রানে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রামের ইনিংস। এখন ব্যাটিংয়ে আছেন মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ।
রাজশাহী ২০ ওভারে ১২৮/৯
ব্যাটিংটা ভালো হলো না রাজশাহীর। তাদের ইনিংসে ২০তম ওভার শেষে ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, ‘অন্ততত ২৫–৩০ রান কম হয়েছে।’
প্রথম ১০ ওভারে ৬৪ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে যায় রাজশাহী। এরপর সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। শেষ ৫ ওভারে উঠেছে ৩০ রান। উইকেট পড়েছে ৫টি। শেষ ১০ ওভারে উঠেছে ৬৪ রান।
রাজশাহীর হয়ে ১৪ বলে ১৯ রান করেন ওয়াসিম। ১৯ বলে ১৯ করেন মেহরব। আকবর করেন ১৬ বলে ১৭ রান। শরীফুল ও তানভীর ২টি করে উইকেট নেন চট্টগ্রামের হয়ে। ২৩ রানে ৩ উইকেট আমের জামালের।
চলতি বিপিএলে ৭ ইনিংসে ১৩ উইকেট নিয়ে শরীফুল এখন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ২০ ওভারে ১২৮/৯ (মেহরব ১৯, ওয়াসিম ১৯, আকবর ১৭, মুশফিক ১৫; জামাল ৩/২৩, শরীফুল ২/২০, তানভীর ২/২৬)।
রাজশাহীর মন্থর গতি
শরীফুলের করা ১৮তম ওভারে ১ রানে আউট হন রাজশাহীর পেসার রিপন মন্ডল। এই ওভার শেষে রাজশাহীর স্কোর ১১৩/৮।
ক্রিজে আছেন সন্দীপ লামিচানে ও তানজিম হাসান।
আকবর আউট
রাজশাহী: ১৭ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৬।
১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে আমের জামালের বলে আউট হলেন আকবর। ১৬ বলে ১৭ রানে ফিরলেন তিনি। এর আগে ১৯ রান করা মেহরবকে ১৪তম ওভারে তুলে নেন তানভীর।
৩ উইকেট নিলেন পাকিস্তানি পেসার আমের জামাল। দারুণ একটি ক্যাচও নিয়েছেন তিনি।
রাজশাহী এগোতে পারছে না
১৫ ওভার শেষে ১০০ রানও তুলতে পারেনি রাজশাহী। ক্রিজে তানজিম (১*) ও আকবর (১৪*)।
টিকলেন না বার্লও
রাজশাহী: ১২ ওভারে ৫ উইকেটে ৭৪।
১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মেহেদীর বলে আউট রায়ান বার্ল। ১০ বলে ১১ রানে ফিরলেন তিনি। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান আকবর আলী।
দ্রুত রান তুলতে পারছে না রাজশাহী
রাজশাহী: ১১ ওভারে ৬৮/৪
১০ ওভার শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৬৪। বাউন্ডারি থেকে এসেছে ৩৪ রান। কিন্তু দ্রুত কিছু উইকেট হারানোয় সেভাবে রান তুলতে পারছে না তারা।
খোঁচা মারতে গিয়ে আউট মুশফিক
রাজশাহী: ৯ ওভারে ৪ উইকেটে ৫৭।
স্লিপে একজন ফিল্ডার ছিলেন। মুশফিকুর রহিম কেন আমের জামালের একটু উঠে আসা বলটা খোঁচা মারতে গেলেন সেটা বড় প্রশ্ন। হয়তো থার্ডম্যানে খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বলটা যতটা উঠে এসেছে তাতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। আসলে অত উঠে আসা বলকে ব্যাট দিয়ে গাইড করার কঠিন। শটটি তাই ভুল ছিল।
সেই ভুলের খেসারত গুণে ১২ বলে ১৫ রানে ফিরলেন মুশফিক। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল।
ছক্কার নেশায় আউট
রাজশাহী: ৭ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৩।
তানজিদকে বলা হয় ‘ন্যাচারাল সিক্স হিটার’। কিন্তু এবার সেই সহজাত সামর্থ্য যথেষ্ট হয়ে উঠতে পারল না। সপ্তম ওভারে আমের জামালের পঞ্চম বলকে স্রেফ কবজির মোচড়ে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে আবু হায়দারের তালুবন্দী হন এই ওপেনার। ১২ বলে ৫ রানে আউট হলেন তানজিদ।
পাঁচে নেমেছেন মেহরব। মুশফিক ৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত।
নাজমুল আউট
রাজশাহী: ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৪২।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভার। এই ষষ্ঠ ওভারেও আক্রমণে আরেক স্পিনার—পাকিস্তানের হাসান নওয়াজ। তাঁর প্রথম বলেই স্ট্রেট দিয়ে তুলে মারেন নাজমুল। বলটা বাতাসে ভাসতে ভাসতে সীমানার ওপাশে চলে যাবে মনে হলেও চট্টগ্রামের ফিল্ডার আমের জামাল দারুণ অ্যাক্রোবেটিক ভঙ্গিতে ক্যাচটি নেন। ১০ বলে ৭ রানে আউট নাজমুল।
চারে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম। নেমেই টানা দুই সুইপে পরেরটিতে পেয়েছেন ছক্কা। তানজিদ ৯ বলে ৩ রানে অপরাজিত, মুশফিক ৩ বলে ৮।
পাওয়ার প্লেতে ওভারপ্রতি গড়ে ৭ রান করে তুলতে পারল রাজশাহী। খুব সন্তোষজনক কিছু নয়।
অন্য প্রান্তেও স্পিনার
পঞ্চম ওভারেও অন্য প্রান্ত থেকে আক্রমণে এলেন স্পিনার ও চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী হাসান। এই ওভারে ৫ রান দিয়ে ভালো শুরু করলেন।
তানভীরে আউট ওয়াসিম
রাজশাহী: ৪ ওভারে ১ উইকেটে ২৮।
শরীফুলের করা তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে গায়ের জোরে মিড উইকেট দিয়ে চার মারেন ওয়াসিম। ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন, পেস বলে তাঁর পেশির শক্তি ব্যবহার করতে সুবিধা হচ্ছে। সেটা বুঝতে পেরেই সম্ভবত চতুর্থ ওভারে বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামকে আক্রমণে আনেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মেহেদী। তাতে কাজ হলো দারুণ!
তানভীরের লেংথ বল গায়ের জোরে মিড উইকেটে টানতে গিয়ে বোল্ড ওয়াসিম। ১৪ বলে ১৯ রানে ফিরলেন তিনি। বোলিংয়ে এসেই ৭ রানে ১ উইকেট নিলেন তানভীর।
তিনে নেমেছেন অধিনায়ক নাজমুল হাসান। এসেই দারুণ শটে চার মেরেছেন।
ওয়াসিম তাঁর চেনা ঢংয়ে
রাজশাহী: ২ ওভারে বিনা উইকেটে ১৬ রান।
রাজশাহীর ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে বোলিং করলেন চট্টগ্রামের পেসার আবু হায়দার। তাঁর প্রথম দুই বলেই বিশাল দুই ছক্কা হাঁকান চট্টগ্রামের আমিরাতি ওপেনার ওয়াসিম। নোয়াখালীর বিপক্ষে আগের ম্যাচেই ৩৫ বলে ৬০ করা ওয়াসিমের দুটি ছক্কা চেয়ে চেয়ে দেখলেন আবু হায়দার। এবারের বিপিএলে ওয়াসিমের স্ট্রাইক রেট ১৭১. ৪২। এটা আরও বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি। ওয়াসিমকে দেখে মনে হচ্ছে ছন্দে আছেন।
আবু হায়দার ১৩ রান দিলেন এই ওভারে। তানজিদ ১ রানে অপরাজিত, ওয়াসিম অন্য প্রান্তে ৬ বলে ১৪ রানে চোখ রাঙাচ্ছেন।
ভালো শুরু শরীফুলের
রাজশাহী: ১ ওভারে বিনা উইকেটে ৩ রান।
রাজশাহীর হয়ে ওপেন করেছেন তানজিদ হাসান ও মুহাম্মদ ওয়াসিম। চট্টগ্রামের হয়ে প্রথম ওভারটি করলেন পেসার শরীফুল ইসলাম। তানজিদ ও শরীফুল জাতীয় দলের সতীর্থ। ওয়াসিম আরব আমিরাত জাতীয় দলের ওপেনার। শরীফুলের প্রথম চার বল থেকে মাত্র ১ রান নিতে পেরেছেন তানজিদ। ওয়াসিম শেষ দুই বল খেলে নেন ১ রান। ওয়াইড হয়েছে একটি।
চট্টগ্রাম একাদশ
মোহাম্মদ নাঈম, অ্যাডাম রসিংটন (উইকেটকিপার), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, হাসান নওয়াজ, আসিফ আলী, মেহেদী হাসান (উইকেটকিপার), আমের জামাল, আবু হায়দার, তানভীর ইসলাম ও শরীফুল ইসলাম।
রাজশাহী একাদশ
তানজিদ হাসান, মুহাম্মদ ওয়াসিম, নাজমুল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), আকবর আলী, রায়ান বার্ল, মেহরব হোসেন, তানজিম হাসান, রিপন মন্ডল, বিনুরা ফার্নান্দো ও সন্দ্বীপ লামিচানে।
পিচ রিপোর্ট
‘কন্ডিশন খুব ভালো। রোদ আছে। পিচও ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। একটু ঘাস আছে। তবে সেটা খুব বেশি নয়। আমার মনে হয় এটা ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো পিচ। যে কারণে চট্টগ্রাম টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ তারা জানে পরে এখানে (ব্যাটিংয়ে) সমস্যা হবে না। আমার মনে হয় লড়াইটা হবে রাজশাহীর টপ অর্ডার বনাম চট্টগ্রামের বোলারদের। দুই দলের ইনিংসেই পাওয়ার প্লে এবং প্রথম ১০ ওভার গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় ১৭০–১৮০ ভালো স্কোর এই উইকেটে’—পিচ রিপোর্টে বললেন লঙ্কান অলরাউন্ডার পারভেজ মাহরুফ।
মাহরুফ আরও জানিয়েছেন, আজ যে পিচে খেলা হবে সেটা বিপিএলে এর আগে মাত্র একবারই ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো উইকেট।
টস
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালস অধিনায়ক মেহেদী হাসান। চট্টগ্রামের একাদশে পরিবর্তন নেই।
রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন টসে হেরেও ভাবছেন না। তাঁর ভাষায়, ‘উইকেট ভালো। বড় একটা সংগ্রহ গড়তে পারলে স্পিনাররা পরে ভালো করার সুযোগ পাবেন।’
স্বাগতম!
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ বিপিএলের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মুখোমুখি রাজশাহী ওয়ারিয়রস। কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাচটি শুরু হবে।
৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে মোট ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ৫ ম্যাচে ৪ জয় ও ১ হারে রাজশাহীর সংগ্রহও ৮ পয়েন্ট। কিন্তু চট্টগ্রামের (১.০৫৯) সঙ্গে রান রেটে পিছিয়ে চারে রাজশাহী (০.২০৬)। গতকাল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচ জিতেছে রাজশাহী। টানা তিন ম্যাচ জিতে চট্টগ্রামের মুখোমুখি হচ্ছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি।