বাংলাদেশ দল আছে সুপার টুয়েলভে। ২৪ অক্টোবর সাকিব আল হাসানদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে প্রথম রাউন্ড থেকে উঠে আসা ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচ ২৭ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

৩০ অক্টোবরের প্রতিপক্ষ ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল। এরপর ২ নভেম্বর ভারত আর ৬ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এরই মধ্যে ৫ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, ‘১৬টি আন্তর্জাতিক দলের সেরা খেলোয়াড়দের দেখতে ৮২টি দেশের দর্শক টিকিট কিনেছেন। ২০২০ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ৮৬ হাজার ১৭৪ জন দর্শকের রেকর্ড উপস্থিতির পর এবারই প্রথম আইসিসির ইভেন্টে গ্যালারিভর্তি দর্শক ফিরছে।’

আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এরপর বলা হয়েছে, ‘বর্তমান বরাদ্দ অনুসারে ২৭ অক্টোবর সিডনির বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। বাড়তি টিকিট ছাড়ার আগ পর্যন্ত আগ্রহী দর্শকদের অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ নিয়ে এত আগ্রহ কেন—এমন প্রশ্ন কারও কারও মনে জাগতেই পারে। আসলে বাংলাদেশের ম্যাচের দিন একই মাঠে খেলা আছে ভারতেরও। আর এবার এক সঙ্গে এক ম্যাচ দিবসে থাকা দুটি ম্যাচের টিকিট একই সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ২৭ অক্টোবর হয়তো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা আর ভারত ও এ গ্রুপের রানার্সআপ দলের ম্যাচ মিলিয়েই এত টিকিট বিক্রি হয়েছে।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আসনভিত্তিক টিকিটের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে খেলা দেখার বিশেষ ব্যবস্থার টিকিটও এরই মধ্যে শেষ, ‘ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট এরই মধ্যে বিক্রি শেষ, দাঁড়িয়ে দেখার টিকিটও বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে কিনে নিয়েছেন দর্শকেরা।’

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদের এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবে বাংলাদেশ। এরপর দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাবেন সাকিবরা। যার প্রথমটি ১৭ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। দুই দিন পর অপর ম্যাচের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, যাদের বিপক্ষে এক সপ্তাহ পরই আছে বিশ্বকাপের মূল লড়াই।