প্রশ্নটা যখন ধেয়ে গেল, রিজওয়ানের হাতে তখন ৪৩ বলে ৫৭ রানের স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া ম্যাচসেরার পুরস্কার। সুপার টুয়েলভে প্রত্যাশা অনুযায়ী রান না পেলেও পরিশ্রমের ওপর বিশ্বাস ছিল সব সময়ই। বাকি ভরসাটা রেখেছেন স্রষ্টার ওপর, ‘বিশ্বাস ছিল কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে। আল্লাহ বলেছেন, তোমরা পরিশ্রম করো, পুরস্কার পাবে। আমি পরিশ্রম করে গেছি। তিনি সহজ করে দিয়েছেন।’

নিউজিল্যান্ডের দেড় শর বেশি রান তাড়ায় বাবর আজমের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতেই ১০০ পার করে ফেলেন রিজওয়ান। দলীয় ১০৫ রানের মাথায় বাবর আউট হয়ে গেলেও রিজওয়ান ছিলেন ১৩২ রান পর্যন্ত, জয় থেকে পাকিস্তান যখন আর মাত্র ২১ রান দূরে।

রিজওয়ানের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর ভর করে শান মাসুদ শেষ ওভারে জয়ের আনুষ্ঠানিকতাটুকু সেরেছেন।

টি–টোয়েন্টিতে আজকের ম্যাচসেরা পুরস্কারটি রিজওয়ানের ক্যারিয়ারের ১১তম। পাকিস্তানের হয়ে ১১টি করে ম্যাচসেরার পুরস্কার আছে মোহাম্মদ হাফিজ ও শহীদ আফ্রিদির।

আজকের ইনিংসে একটা পরিকল্পনা ছিল রিজওয়ানের, ‘পিচ খেলার জন্য সহজ ছিল না। তবু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নতুন বলে আক্রমণ শুরু করব। এরপর পাওয়ার–প্লেটা যখন খেলে ফেললাম, সিদ্ধান্ত নিই একজনকে শেষ পর্যন্ত থাকা দরকার।’

বাবর–রিজওয়ানের আজকের জুটিটি ছিল টি–টোয়েন্টিতে তাঁদের নবমবারের মতো ন্যূনতম শতরানের জুটি, বিশ্বকাপে যা তৃতীয়। যে কীর্তি নেই আর কোনো ওপেনিং জুটির।