বিষয়টি নিশ্চিত করে সৌরভ পিটিআইকে বলেন, ‘হ্যাঁ, সিএবি নির্বাচনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আগেও পাঁচ বছর কাজ করেছি। আইন অনুসারে আরও চার বছর করতে পারব। ২০ অক্টোবরের মধ্যে প্যানেল চূড়ান্ত করে ২২ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।’

সৌরভ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত। এরপর তিন বছর কাটিয়েছেন বিসিসিআইতে। গত মাসে ভারতের উচ্চ আদালত ক্রিকেট প্রশাসকদের মেয়াদ বিষয়ে একটি রায় দেন।

রায়ে বলা হয়, একজন প্রশাসক রাজ্য সংস্থায় ছয় বছরের পর বোর্ডেও ছয় বছর দায়িত্বে থাকতে পারবেন। বাধ্যতামূলক বিরতি কার্যকর হবে ১২ বছর পর। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে, ২০২৬ পর্যন্ত ক্রিকেট প্রশাসনে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন সৌরভ।

তবে সৌরভের রাজ্য ক্রিকেটে ফেরার বিষয়টি চমক জাগানিয়া বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। এ পদে নির্বাচন করার কথা ছিল সৌরভের ভাই স্নেহাশিষ গাঙ্গুলীর। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া চলে যাচ্ছেন আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলে।

সৌরভের সিএবিতে ফেরার সম্ভাবনার মাধ্যমে আরেকটি বিষয়েরও প্রায় ইতি ঘটে গেছে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমটি। বিসিসিআইর পক্ষ থেকে আইসিসি চেয়ারম্যান পদে সৌরভের নির্বাচন করার কথা উঠেছিল। কিন্তু সেই সম্ভাবনাও আর নেই বললেই চলে।

আইসিসিতে বিসিসিআইর প্রতিনিধি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে এখন দ্বিতীয়বার সচিবের দায়িত্ব পেতে যাওয়া জয় শাহ। তিনি বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও আছেন।