পাকিস্তানের সাবেকদের এমন ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার কারণ, কাল ভারতের হারে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়া। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছেন রোহিত শর্মারা। এখনো দুটি করে ম্যাচ গ্রুপের বাকি সব দলের। পাকিস্তানকে শুধু শেষ দুটি ম্যাচ জিতলেই হবে না, অন্যদের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। সেখানেও সমীকরণগুলো সহজ নয়।

বাংলাদেশ, ভারত ও জিম্বাবুয়ে কেউই যেন তাদের শেষ দুটি ম্যাচ না জিততে পারে; বাংলাদেশ ও ভারত একটি ম্যাচ জিতলেও যেন রান রেট কম থাকে—এমন সব সমীকরণ পাকিস্তানের সামনে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যে দুটি ম্যাচ বাকি আছে, সেখানেও পাকিস্তানকে জিততে হবে বড় ব্যবধানে।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারতের হার পাকিস্তানকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে। অবশ্য শুধু পাকিস্তান নয়, ভারতের হারে কঠিন হয়ে গেছে বাংলাদেশের সমীকরণও।

বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানদের সমর্থকেরাও সেলিম মালিকের মতো সুর তুলেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পাকিস্তানের উর্দু ভাষার টিভি চ্যানেল ‘২৪ নিউজ এইচডি’কে দেশটির সাবেক অধিনায়ক মালিক বলেছেন, ‘ভারত কখনো চাইবে না পাকিস্তান এগিয়ে যাক।’ এ সময় অনুষ্ঠানের আরেক অতিথি পাকিস্তানের সাবেক পেসার ওয়াহাব রিয়াজ তখন সেলিম মালিকের কাছে জানতে চান, ‘আপনি এটাই মনে করেন?’ ফিক্সিংয়ের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হওয়া সেলিম মালিক মুচকি হেসে সম্মতি জানান।

গতকাল পার্থ স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৩৩ রান তুলেছিল ভারত। তাড়া করতে নেমে ডেভিড মিলার (৫৯) ও এইডেন মার্করামের (৫২) ফিফটিতে ২ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

মার্করাম ৩৫ রানে থাকতে তাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেন বিরাট কোহলি। অধিনায়ক রোহিত শর্মা মিলারকে রান আউট করার একটি সুযোগও নষ্ট করেন। ভারতের ফিল্ডিংকে ধুয়ে দিয়ে মালিক বলেছেন, ‘ভারত আজ একটু ভালো ফিল্ডিং করলেই ম্যাচটা জিতে যেত। ভারতের বাজে ফিল্ডিংটাই সবচেয়ে খারাপ লেগেছে। এসব তো সহজ ক্যাচ। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বৈরথ সব সময়ই আছে। শুরুতে ফিল্ডিংয়ে ভারতের অনেক আগ্রহ থাকলেও সেটি মানসম্পন্ন হয়নি। আর আমি মনে করি ভারত পাকিস্তানকে পছন্দ করে না।’