৪০ বলে সূর্যকুমার খেলেছেন ৬৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। ৬ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটির স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭০। তাঁর এই ইনিংসও অবশ্য শেষ পর্যন্ত ভারতের হার ঠেকাতে পারেনি।

দলকে জেতাতে না পারলেও দারুণ ব্যাটিংয়ের জন্য ঠিকই প্রশংসিত হচ্ছেন সূর্য। তাঁকে বর্তমান সময়ের সেরা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কোচ মিসবাহ-উল-হক। পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক তো সূর্যকে এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

সূর্যের প্রশংসায় মিসবাহ বলেছেন, ‘সে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ম্যাচের বিরূপ পরিস্থিতিতেও (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) এমন বোলিং লাইনের বিপক্ষে সে ১৭০ স্ট্রাইক রেটে যে ধরনের ব্যাটিং করেছে, তা অসাধারণ। এমন ইনিংস আমি আর দেখিনি।’

ভারতের বিপক্ষে গতকাল শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা। লুঙ্গি এনগিডিদের শর্ট বলে শুরু থেকেই নাকাল হয়েছেন রোহিত-কোহলিরা। প্রোটিয়া পেসারদের ফাঁদে সতীর্থরা পা দিলেও সূর্য ছিলেন ব্যতিক্রম।

যতক্ষণ ছিলেন প্রোটিয়া পেসারদের শাসনই করেছেন সূর্য। তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ মিসবাহ আরও যোগ করে বলেছেন, ‘এই ধরনের উইকেটে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে হলে কোথায় বল পড়বে এবং কোথায় হিট করতে হবে, তা জানা থাকতে হয়। দেখে মনে হয়েছে সে তা জানত।’

সূর্যের প্রশংসায় মিসবাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরেক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকও। কীভাবে সূর্য নিজেকে সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শোয়েব বলেছেন, ‘তার সাফল্য এবং ধারাবাহিকতার কারণ হচ্ছে, সে নিজের খেলা কখনো বদলায় না। এমনকি সেই দুই ইনিংসে আউট হওয়ার পরও নিজের খেলা বদলায়নি। সে কন্ডিশন এবং বোলারদের ভালোই পড়তে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোন শট কাজে আসবে। পাশাপাশি সে বোলারদের মন নিয়েও খেলতে পারে। সে জানে বোলাররা কী বল করবে। (বল) আউটসাইড অফ হবে না, শর্ট হবে, এসব সে বুঝতে পারে।’

সূর্যকে এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে তুলনা করে মালিক বলেছেন, ‘আমি এখানে এবি ডি ভিলিয়ার্সের উদাহরণ দেব। সে জানত বোলাররা এখন ইয়র্কার করবে, এখন স্লো বাউন্সার দেবে কিংবা অফ স্টাম্পের বাইরে করবে।’