ব্যাটিং অর্ডারের পরের দুটি জায়গা ভারতের বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদবের। কোহলি টুর্নামেন্ট-সর্বোচ্চ ২৯৬ রান করেছেন ৯৮.৬৬ গড়ে, ব্যাটিং করেছেন ১৩৬.৪০ স্ট্রাইক রেটে। সূর্যকুমারের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৮৯.৬৮, গড় ৫৯.৭৫। কোহলি সেমিফাইনালেও ফিফটি করেছিলেন যদিও সূর্যকুমার তেমন কিছু করতে পারেননি।

সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া নিউজিল্যান্ডের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে আছেন ব্যাটসম্যান গ্লেন ফিলিপস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময় সেঞ্চুরি করেছিলেন, সব মিলিয়ে ৪০.২০ গড়ে করেছেন ২০১ রান।

সেরা একাদশে সুযোগ পেয়েছেন জিম্বাবুইয়ান অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাও। টুর্নামেন্টটা দারুণ কেটেছে তাঁর, ২১৯ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ১০ উইকেট। জিম্বাবুয়ে যে তিনটি ম্যাচ জিতেছে, সব কটিতেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন তিনি। রাজার সঙ্গে আছেন পাকিস্তানের লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার শাদাব খান। ১৫ গড়ে ১১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে পাকিস্তানের বাঁচামরার ম্যাচে করেছিলেন ফিফটি।

ফাইনালের ম্যাচসেরা ও টুর্নামেন্ট–সেরা স্যাম কারেনকে রাখা হয়েছে ৮ নম্বরে। ফাইনালে ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়া কারেন টুর্নামেন্টে নিয়েছেন মোট ১৩ উইকেট, মাত্র ১১.৩৮ গড়ে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটও নিয়েছিলেন তিনি।

কারেনের সঙ্গে আছেন তিন ফাস্ট বোলার—দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নর্কিয়া, ইংল্যান্ডের মার্ক উড ও পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি। ৮.৫৪ গড়ে ১১ উইকেট নিয়েছেন নর্কিয়া। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে না খেললেও গতির ঝড় তুলেছিলেন উড, সুপার টুয়েলভে ছিলেন বেশ ধারাবাহিক। আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নেন ৩টি করে উইকেট, টুর্নামেন্টে বোলিং করেছেন ১২ গড়ে।

ফাইনালে চোট পেয়ে আফ্রিদির উঠে যাওয়া পাকিস্তানের জন্য ছিল বড় ধাক্কা। চোট কাটিয়ে ফেরার পর ছন্দে ফিরতে সময় নিলেও পাকিস্তানের অন্যতম সেরা অস্ত্র ছিলেন তিনিই। ১৪.০৯ গড়ে এ বাঁহাতি পেসার নিয়েছেন ১১ উইকেট।

টুর্নামেন্টে ১২৮ রানের সঙ্গে ৮ উইকেট নেওয়া ভারত অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে রাখা হয়েছে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে।

সেরা একাদশ বেছে নেওয়ার কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ, সদস্য হিসেবে ছিলেন ধারাভাষ্যকার মেল জোনস, আইসিসি হল অব ফেমের ক্রিকেটার শিবনারায়ণ চন্দরপল, সাংবাদিক পার্থ ভাদুরি ও আইসিসি ক্রিকেটের জেনারেল ম্যানেজার ওয়াসিম খান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির সেরা একাদশ
অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), জস বাটলার (অধিনায়ক/ উইকেটকিপার) (ইংল্যান্ড), বিরাট কোহলি (ভারত), সূর্যকুমার যাদব (ভারত), গ্লেন ফিলিপস (নিউজিল্যান্ড), সিকান্দার রাজা (জিম্বাবুয়ে), শাদাব খান (পাকিস্তান), স্যাম কারেন (ইংল্যান্ড), আনরিখ নর্কিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা), মার্ক উড (ইংল্যান্ড), শাহিন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)। দ্বাদশ খেলোয়াড় : হার্দিক পান্ডিয়া (ভারত)।