ফাইনাল ম্যাচের ভাগ্যটাও ভিন্ন হতে পারত বলে মনে করেন শোয়েব। পায়ের চোটের কারণে নিজের বোলিং শেষ না করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। জয়ের জন্য তখনো ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৫ ওভারে ৪১ রান। যার মধ্যে দুটি ওভার শাহিনের করার কথা। কিন্তু ১৬তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভারের প্রথম বল করেই মাঠ ছাড়তে হয় শাহিনকে।

শাহিনের অসম্পূর্ণ ওভারটি করতে আসেন অফ স্পিনার ইফতেখার আহমেদ। অনিয়মিত বোলারকে পেয়েই ইংল্যান্ডের দুই ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস ও মঈন আলী চড়ে বসেন। ২টি চার মেরে রান আর বলের পার্থক্যটা কমিয়ে আনেন মুহূর্তেই। শোয়েবের দৃষ্টিতে সেটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট, ‘শাহিনের চোটে পড়াটা ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল। তবু যা হয়েছে, সেটাকে আমি ভালোই বলব। আমাদের মাথা নিচু করা উচিত হবে না।’

এবার ব্যর্থ হলেও আগামী বছর ভারতের মাটিতে পাকিস্তান ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতবে বলে বিশ্বাস শোয়েবের। তাঁর কথা, ‘আমি পাকিস্তান দলের পাশে আছি। কোনো চিন্তা নেই। দল হেরেছে, কষ্ট পেয়েছি, হতাশ হয়েছি। কিন্তু জাতীয় দলের সঙ্গে আছি। আমরা ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ জিতব।’

ইংল্যান্ড দলের অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের প্রশংসাও করেছেন শোয়েব। পাকিস্তানের ১৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা ইংল্যান্ডকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন স্টোকস। ৪৯ বল খেলে ৫২ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলে ফাইনালের রাত স্মরণীয় করেছেন এই বাঁহাতি।

এমন দিনে ২০১৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের কথাও স্মরণ করেছেন শোয়েব, ‘বেন স্টোকস ২০১৬ সালে ছক্কা খেয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল। সে আজ দলকে শিরোপা জিতিয়ে দায়মোচন করল।’