পাঁচ বলে ইংল্যান্ড তুলে নেয় ১৩ রান। ৫ ওভারে ৪১ রানের সমীকরণ থেকে ইংল্যান্ডের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ ওভারে ২৮ রানে। মূলত এখানেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। আক্ষেপ তাই বাবর আজম করতেই পারেন। বাবরের আক্ষেপ আছে আরও।

পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৯ রান করলেও বাবর, শান মাসুদ ও শাদাব খান পাকিস্তানকে মোটামুটি বড় সংগ্রহের দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে স্যাম কারেন–আদিল রশিদকে সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা।

এই দুই বোলারের ৮ ওভারে ৩৪ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান। শেষ ৪ ওভারে পাকিস্তান করতে পেরেছে মাত্র ১৮ রান। যে কারণে কাঙ্ক্ষিত স্কোর তুলতে পারেনি বাবরের দল।

ম্যাচ শেষে এই দুই কারণেই হতাশ পাকিস্তান অধিনায়ক, ‘আমরা ২০ রান কম করেছি , তারপরও যেভাবে সবাই লড়াই করেছে, তা অবিশ্বাস্য। আমাদের বোলিং আক্রমণ অন্যতম সেরা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে শাহিনের চোট আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে দেয়নি। কিন্তু এটা খেলারই অংশ। ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন।’