দক্ষিণ আফ্রিকায় হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

দিন শেষ করে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে তাওহিদ হৃদয়ফেসবুক

১৯৮ থেকে ১৯৯ রানে পৌঁছানোর রানটা একটু তাড়াহুড়ো করেই নেন তাওহিদ হৃদয়। দ্বিতীয় রানটা নিতে পারলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়ে যেত তখনই, তাঁর ভাবনাও ছিল তা-ই। কিন্তু দ্বিতীয় রানটি নিতে না পারায় ১৪ বল দীর্ঘ হয়েছে তাঁর ডাবল সেঞ্চুরির অপেক্ষা।

এই সময়ে অধিকাংশ সময়ই নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তে ছিলেন হৃদয়। ১৩৭তম ওভারে স্ট্রাইক পেয়ে প্রথম বলেই কাট করেন তাওহিদ হৃদয়। বলটা বাউন্ডারিতে পৌঁছাতেই (রানের অঙ্ক ২০৩-এ রূপ নিতেই) বাধভাঙা উচ্ছ্বাস সঙ্গী করে হেলমেট খুলে তা উদ্‌যাপন করেছেন হৃদয়।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিটা হৃদয় পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে। এর আগে ২০২২ সালের বিসিএলে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন হৃদয়। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেটিই ছিল তাঁর প্রথম সেঞ্চুরিও।

আজ পচেফস্ট্রুমে হৃদয় যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন দল ছিল ভীষণ বিপদে। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ৫১২ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছিল। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৩৫ রানেই টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ।

সেখান থেকেই জাকের আলীকে নিয়ে দলের হাল ধরেন হৃদয়। দুজন মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন। অল্পের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপে পোড়েন জাকের। ৯৪ রান করে মোরেকির বলে তিনি বোল্ড হলে ভেঙে যায় এই জুটি।

তবে হৃদয় ঠিকই সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেন। জাকেরের পর তাঁর সঙ্গী হন সাইফউদ্দিন। হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরির সময়ও তাঁর সঙ্গে মাঠে ছিলেন তিনি। তবে চার দিনের ম্যাচের তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ৮৭ রানে আউট হয়ে গেছেন সাইফউদ্দিন।

২২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩৯ বলে ২০৪ রান করে অপরাজিত আছেন হৃদয়। আগামীকাল সকালে নতুন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে দিনের খেলা শুরু করবেন তিনি। ৬ উইকেটে ৪৭১ রান তোলা বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে ৪১ রানে পিছিয়ে আছে।

আরও পড়ুন