পরে এমসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বল হাত থেকে ছাড়ার মুহূর্তেই, হাত নামিয়ে এনেছিলেন জাম্পা। কোনো ব্যাটসম্যানকে তখনই রানআউট করা যাবে, যদি বোলারের হাত বল ডেলিভারির ‘পয়েন্টে’ পৌঁছানোর আগেই তিনি ক্রিজ ত্যাগ করেন। এ ক্ষেত্রে রজার্স আগেই ক্রিজ ছেড়ে গেলেও জাম্পা ডেলিভারি পয়েন্টে চলে যাওয়ায় আউট হননি।

এমসিসি তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে বিবৃতি দিলেও নতুন একটি অস্পষ্টতা তৈরি হয়। নন–স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান আসলে কোন সময় ক্রিজ ছাড়তে পারবেন? বোলার কোন পর্যন্ত হাত ওঠালে ব্যাটসম্যানরা খেলায় যুক্ত হতে পারবেন?
বিষয়টি পরিষ্কার করতে এবার সংশ্লিষ্ট আইনে একটি উপধারা যোগ করেছে এমসিসি।

আইনের ৩৮.৩–এর ২ ধারায় যুক্ত করা হয়েছে, ‘যে মুহূর্তে বোলারের কাছ থেকে সাধারণত বল ছোড়ার আশা করা হয়, তার আগেই যদি নন-স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যান, তাহলে এই আইনের অধীন তাঁকে রানআউট করা যাবে না।’ এই ধারা ১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর বলে জানিয়েছে ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থাটি। তবে উপধারা সংযোজনকে ‘আইনি অর্থের বস্তুগত পরিবর্তন নয়’ বলে উল্লেখ করেছে এমসিসি।

আইনের বিষয়টি জানানো বিবৃতিতে এমসিসি লিখেছে, ‘এই আইন খেলোয়াড় ও আম্পায়ারদের কাছে আগে থেকেই পরিষ্কার। তবে কিছু শব্দগত কারণে কারও কারও মধ্যে অস্পষ্টতা দেখা দিয়েছিল। এখন ৩৮.৩ ধারায় বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে দেওয়া হলো।’