স্বপ্নের অভিষেকে জোসেফের আরেক কীর্তি

স্বপ্নের মতো এক অভিষেক শামার জোসেফেরএএফপি

শামার জোসেফের গল্পটা হয়তো এতক্ষণে জানা হয়ে গেছে আপনার।

অ্যাডিলেডে স্বপ্নের অভিষেক হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসারের। দল যদিও হেরেছে দুই দিনের একটু বেশি সময়ের মধ্যেই। তবে অভিষেকটা জোসেফের হয়েছে আজীবন মনে রাখার মতোই।

দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১.৪ ওভার বোলিং করেছেন, তাতে উইকেটের দেখা পাননি। তাঁর বাউন্সার সামলাতে গিয়ে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছে উসমান খাজাকে।

অভিষেকে ৫ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দশম বোলার হিসেবে। জোসেফ অবশ্য ব্যাটিংয়েও ছিলেন উজ্জ্বল। দুবারই নেমেছেন এগারো নম্বরে। প্রথম ইনিংসে তো ৩৬ রান করে ছিলেন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি করেন ১৫ রান।

আরও পড়ুন

এগারো নম্বরে জোসেফের ৫১ রানই এখন অভিষিক্ত কোনো ব্যাটসম্যানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এখানে জোসেফের ওপরে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশটন অ্যাগার। ২০১৩ সালে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অ্যাগার অভিষেক ইনিংসেই খেলেছিলেন ৯৮ রানের ইনিংস। পরের ইনিংসে ১৪ রান করেছিলেন, তবে সেবার তাঁকে পাঠানো হয়েছিল আট নম্বরে।

অভিষেকে ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ রান

এগারো নম্বরে নেমে অভিষেক ম্যাচে ৫০ রান আছে আর একজনের—জিম্বাবুয়ের তিনাশে পানিয়াঙ্গারার। ২০০৪ সালে হারারেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন সবার শেষে নেমে। দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ১৮ রান।

প্রথম ইনিংসে ৩৬ রান করেন জোসেফ
এএফপি

স্বাভাবিকভাবেই এগারো নম্বরে বোলারই নামবেন, আর তাঁদের মূল কাজ উইকেট নেওয়া। জোসেফ সেখানেই একটা জায়গায় ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে।

আরও পড়ুন

অভিষেক ম্যাচে কমপক্ষে ৫০ রান করার পাশাপাশি ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি জোসেফের আগে ছিল আরও ২৪ জনের। ইংল্যান্ডের জন লেভার তো ১৯৭৬ সালে দিল্লিতে এক ইনিংসে ব্যাটিং করেই ফিফটি করার সঙ্গে ম্যাচে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট। তবে এ তালিকার কেউই অভিষেকে ১১ নম্বরে ব্যাটিং করে ৫০ রান করেননি। মানে অভিষেকে ১১ নম্বরে নেমে ৫০ রানের পাশাপাশি ৫ উইকেট—এই কীর্তিতে জোসেফই প্রথম।