শেষ ম্যাচের আগে সেমিফাইনালে যাওয়ার সমীকরণটা পাকিস্তানের নিজেদের হাতে ছিল না। বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতলেও তাদের তাকিয়ে থাকতে হতো অন্য দুই ম্যাচে। অন্তত একটি অঘটন ঘটতেই হতো। সেই অঘটনটিই ঘটিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

ডাচ্‌–চমকে প্রোটিয়াদের বিদায়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচটি হয়ে যায় অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনাল। আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ম্যাচটিতে কপাল পোড়ে সাকিব আল হাসানের দলের। এখন শেষ চারেও দারুণ কিছু করে দেখাতে চায় পাকিস্তান।

সেমিফাইনালে পাকিস্তান কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা জানাতে গিয়ে দলের পরামর্শক হেইডেন বলেন, ‘এমন ভাবনা ছিল যে সম্ভবত ফলটা ভিন্ন কিছু হতে যাচ্ছে। তবে ঠিক সে সময় পাকিস্তান ক্রিকেট দল জ্বলে ওঠে এবং নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে শুরু করে। তারা এখন সত্যিকারের হুমকি হয়ে ওঠেছে। বিশ্বে এবং এই প্রতিযোগিতায় এই মুহূর্তে এমন কোনো দল নেই, যারা আমাদের মুখোমুখি হতে চাইবে। একটিও নয়। তারা ভেবেছিল, তারা আমাদের কাছ থেকে মুক্তি পেয়েছে। এখন তারা আর আমাদের কাছ থেকে পরিত্রাণ পাবে না।’

কঠিন পথে সেমিফাইনালে উঠে আসা পাকিস্তানের জন্য সাহস হতে পারে অতীত ইতিহাস। ১৯৯২ সালেও এমন খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। সঙ্গে নিজেদের অনিশ্চয়তার খ্যাতি তো রয়েছেই।

এই পাকিস্তান যে এখন বাকিদের ভয়ের কারণ, তা মনে করিয়ে দিয়ে হেইডেন বলেন, ‘ডাচ্‌দের জন্য সম্ভবত আমরা এখানে, সম্ভবত নয়, আসলেই ওরা না হলে আমরা এখানে আসতে পারতাম না। এখন আমরা এখানে (সেমিফাইনালে) এবং বেশ শক্তিশালীও। কারণ, কেউ আমাদের এখানে দেখতে চায়নি। বিস্মিত করার এই বিষয়ই আমাদের এগিয়ে রাখছে।’

বুধবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা দুইটায়।