পাওয়ার প্লের পরের ওভারটায় ভালো বোলিং করেন মহীশ তিকসানা, মাত্র ৪ রানই দিয়েছেন। রানের গতি কমে গেছে বলেই কি না পরের ওভারে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার ওপর চড়াও হতে যান বাটলার। ফলটা ভালো হয়নি, মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানার কাছাকাছি জায়গায় ক্যাচ হয়ে ফেরেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। এর আগে হেলসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। জুটিতে তাঁর অবদান ছিল ২৩ বলে ২৮ রান। ইনিংসটিতে তিনি ২টি চারের পাশাপাশি ১টি ছয় মেরেছেন।

হাসারাঙ্গা পরের ওভারে এসে তুলে নেন হেলসকেও। আউট হওয়ার আগে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৩০ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। অষ্টম থেকে পঞ্চদশ ওভারের মধ্যে ইংল্যান্ডকে একটা ঝাঁকুনিই দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এই সময়ে বাটলার, হেলসসহ ৫টি উইকেট তুলে নেন দলটির বোলাররা। এই ৫ উইকেট ইংল্যান্ড হারিয়েছে ৩৬ রানের মধ্যে। একটা সময় ইংল্যান্ডের জয়ের হিসাবটা ১৫ বলে ১৫ রানের মধ্যে নিয়ে আসে লঙ্কানরা।

এমন সময়েই আউট হয়ে ফেরেন বেন স্টোকসের সঙ্গে জুটি গড়া স্যাম কারেন। তবে এরপর আর কোনো উইকেট পড়তে না দিয়ে শেষ ওভারে গড়ানো ম্যাচে ইংল্যান্ডকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন স্টোকস ও ওকস। ম্যাচ শেষে স্টোকস ২টি চারে ৩৬ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। আর ওকস করেছেন ৩ বলে অপরাজিত ৪ রান। শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন কুমারা, হাসারাঙ্গা ও ধনাঞ্জয়া।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসটাও অনেকটাই ইংল্যান্ডের মতো ছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে সাবলীল ব্যাটিং করেই ১ উইকেটে ৫৪ রান তোলে লঙ্কানরা। পরের চার ওভারেও ভালো ব্যাটিং করে তারা। সব মিলিয়ে ১০ ওভারে ২ উইকেটে শ্রীলঙ্কা তোলে ৮০ রান। এরপর যেন কী হয়ে যায় লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের! রান তোলার গতি শ্লথ হয়ে যায়। একই সঙ্গে পড়তে থাকে উইকেট। সব মিলিয়ে শেষ দিকে ৫৭ রান তুলতে শ্রীলঙ্কা ৬টি উইকেট হারায়।

দলের পক্ষে ৪৫ বলে ২টি চার ও ৫টি ছয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন ওপেনার পাতুম নিশাঙ্কা। এবারের বিশ্বকাপে এটি তাঁর দ্বিতীয় ফিফটি, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নবম। ইনিংসটি খেলার পথে নিশাঙ্কা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ রানের মাইলফলকে পৌঁছান। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ইংল্যান্ডের হয়ে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মার্ক উড। একটি করে উইকেট নিয়েছেন স্টোকস, ক্রিস ওকস, কারেন ও আদিল রশিদ।