যুবরাজ সাবধান, ‘শত্রু’ বড় হচ্ছে ঘরেই
২০০৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রথম টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ডারবানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঝড় তুলেছিলেন যুবরাজ সিং। স্টুয়ার্ট ব্রডের এক ওভারে মেরেছিলেন ৬ ছক্কা, করেছিলেন ১২ বলে ফিফটি।
যুবরাজের সেই ১২ বলের ফিফটির রেকর্ড ভেঙেছেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং ঐরী (৯ বল)। তবে টেস্ট খেলুড়ে দলের কেউ এখনো পেছনে ফেলতে পারেননি যুবরাজকে। অনেকবারই অবশ্য হুমকির মুখে পড়েছিলেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অলরাউন্ডার। তবে এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে একটা কিছু হয়েও যেতে পারে!
এ ক্ষেত্রে যুবরাজের সবচেয়ে বড় হুমকি নিজ দেশ ভারতের ব্যাটসম্যানরাই। বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলছে ভারত। এই সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ১৪ বলে ফিফটি করেছিলেন অভিষেক শর্মা।
আন্তর্জাতিক টি টুয়েন্টিতে পূর্ণ সদস্যের দেশগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এটাই যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি। এর আগে ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪ বলে ফিফটি করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার কলিন মানরো।
অভিষেক নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ২২ বলে ফিফটি। গতকাল সিরিজের চতুর্থ টি-টুয়েন্টিতে অলরাউন্ডার শিবম দুবে আবার করেছেন ১৫ বলে ফিফটি। অভিষেক, সঞ্জু স্যামসন থেকে হার্দিক পান্ডিয়া, রিংকু সিংদের অবিশ্বাস্য কিছু করার সামর্থ্য বেশ ভালোভাবেই আছে। আরও তো এবার বিশ্বকাপ ঘরের মাঠে।
১৫ বলে ফিফটির রেকর্ড আছে দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার কুইন্টন ডি ককেরও। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে আছেন ডি ককও। ১৬ বলে ফিফটি করা প্রোটিয়া অলরাউন্ডার মার্কো ইয়ানসেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যান শাই হোপ, অস্ট্রেলিয়ার টিম ডেভিডও খেলবেন বিশ্বকাপ। ভারতের পান্ডিয়ারও আছে টি-টুয়েন্টিতে ১৬ বলে ফিফটি।
সম্প্রতি দ্রুত ফিফটির কীর্তিও দেখা যাচ্ছে ঘন ঘন। গত বছর আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে পূর্ণ সদস্যের দেশগুলো ক্রিকেটাররা ১৪ বার ২০ বা এর কম বলে ফিফটি করেছেন। ২০২৪ সালে করেছিলেন ৭ ব্যাটসম্যান। চলতি বছর ২০ বলের কমে ফিফটি পেয়েছেন অভিষেক ও দুবে।
সব মিলিয়ে এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেই ১২ বলে ফিফটির রেকর্ড ভাঙে কি না, সেটাই দেখার বিষয়!