আর্থিক হিসাব-নিকাশকে কৃত্রিমভাবে সমৃদ্ধ করতে দলবদল নিয়ে মিথ্যাচার করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই শাস্তি পেয়েছে জুভেন্টাস। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবে ইতালিয়ান ক্লাবটি। এর আগে গত নভেম্বরে দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ক্লাবের সভাপতি আন্দ্রে আগনেল্লি ও সহসভাপতি পাভেল নেদভেদ।

দুজনই যথাক্রমে ২৪ মাস ও ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে জুভেন্টাসসহ একাধিক ক্লাবের বিরুদ্ধে শুরু হয় তদন্ত। জুভেন্টাস অবশ্য শুরু থেকেই কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়ানোর কথা অস্বীকার করে আসছে।

এক বিবৃতিতে ক্লাবের আইনজীবী বলেছেন, ‘আমরা এটিকে লাখো ভক্তের প্রতি হওয়া অবিচার বলে মনে করছি। আমরা আশা করছি, এটি শিগগিরই আদালতের মাধ্যমে ঠিক করা হবে।’ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথাও ক্লাবটির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মাঠের সময়টা এমনিতেই ভালো যাচ্ছিল না জুভেন্টাসের। মৌসুমের শুরু থেকেই ব্যর্থতা সঙ্গী হয়েছিল তাদের। তবে মাঝমৌসুমে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ‘তুরিনের বুড়ি’রা। টানা ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলে দুইয়েও ওঠে আসে তারা।

যদিও সর্বশেষ লিগ ম্যাচে নাপোলির কাছে বড় ব্যবধানে হার দেখতে হয়েছিল জুভদের। এখন ১৫ পয়েন্টের এই জরিমানায় বড় ধরনের বিপদেই পড়ল ইতালির অন্যতম সফলতম ক্লাবটি। জুভেন্টাস নিজেদের পরের ম্যাচ খেলবে রোববার রাতে আতালান্তার বিপক্ষে।