২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল—এই পাঁচ বছর বার্সার কোচ ছিলেন রাইকার্ড। ফাইনাল ম্যাচ দেখতে বসেছিলেন মেসির একজন ভক্ত হিসেবে।

হেলডেন সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইকার্ড বলেছেন, ‘ব্যাপারটা এমন নয় যে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আমার গাল বেয়ে চোখের পানি পড়েছে। তবে আমি আসলে উদ্‌যাপন করেছি একটা কুকুরছানার মতো লাফালাফি করে। কারণ, শেষে এসে মেসি বিশ্বকাপ জিতেছে। আমি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছি মেসির একজন সমর্থক হিসেবে। ও যা চেয়েছিল, তা পেয়েছে। বিশ্বকাপটা ওর প্রাপ্য ছিল।’

রাইকার্ডের সময়ে ২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সার জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল মেসির। তাঁর অধীনে মেসি দুটি লিগ শিরোপা ও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। ক্যারিয়ারে এই কোচের অবদান কতটা, তা মেসি বলেছিলেন এভাবে, ‘সব কোচই আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে। তবে আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোচ ছিলেন রাইকার্ড। তিনি যদি আমার প্রতি ভরসা না রাখতেন, প্রথম দলের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ না দিতেন, সম্ভবত বার্সার মূল দলে তখন খেলতে পারতাম না। তিনি আমাকে বিশ্বাস করে সঠিক সময়ে সুযোগ দিয়েছিলেন।’