ইউরোপীয় কোচদের মধ্যে নাম এসেছে রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি, এএস রোমার জোসে মরিনিও ও কাতার বিশ্বকাপে স্পেনের কোচ লুইস এনরিকের। সিবিএফ সভাপতি নাকি আগামী মাসেই ইউরোপ ভ্রমণে বের হবেন কোচ নিয়োগের উদ্দেশ্যে। সে সময় তিনি তালিকায় থাকা কোচদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে জানা গেছে।


এদিকে ব্রাজিল জাতীয় দলে বিদেশি, বিশেষ করে ইউরোপীয় কোচ নিয়োগ দেওয়ার খবর বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে। ব্রাজিলের কিংবদন্তি অনেক খেলোয়াড়ই জাতীয় দলের কোচ হিসেবে কোনো ব্রাজিলীয়কেই দেখতে চান। ২০০২ সালে ব্রাজিলকে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জেতানো কোচ লুইস ফেলিপে স্কলারির চাওয়াও একই রকম। তিনি তো সিবিএফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা লুইস এনরিকের নামটা আগেই বাদ করে দিতে চাচ্ছেন।


স্পেনের কোচ হওয়ার আগে এনরিকে রোমা, সেল্টা ভিগো ও বার্সেলোনার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্সাকে তো ক্লাব ফুটবলের সম্ভাব্য সব শিরোপাই জিতিয়েছেন। কিন্তু স্পেনের কোচ হিসেবে তিনি কতটা সফল, সে প্রশ্ন তুলেছেন স্কলারি। ২০১৮ বিশ্বকাপের পর থেকে এনরিকে স্পেনের কোচ। চার বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। স্পেনকে পাসিং ফুটবল খেলিয়েছেন। কিন্তু দলটার সাফল্য তেমন নেই। গত মৌসুমে উয়েফা নেশনস লিগে স্পেন রানার্সআপ হয়েছিল তাঁর অধীনেই। এবার বিশ্বকাপে তো দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায়ঘণ্টা বেজেছে স্পেনের। সব মিলিয়ে এনরিকেকে ব্রাজিলের কোচ হিসেবে খুব একটা পছন্দ হচ্ছে না স্কলারির।


ব্রাজিলের সম্ভাব্য কোচদের নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্কলারি তাই বলেছেন, ‘এনরিকেকে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে। সে আসলে কোচ হিসেবে কী জিতেছে? সে ভালো কোচ। কিন্তু ব্রাজিলের কোচ হতে তো সাফল্য থাকতে হবে। কী দেখে তাঁর কথা ভাবা হচ্ছে! মরিনিও তো তা–ও কিছু জিতেছে। তাঁর একাধিক সাফল্য আছে। আমি মনে করি ব্রাজিলের কোচ হিসেবে দক্ষিণ আমেরিকারই কাউকে নিয়োগ দেওয়া উচিত। ইউরোপের কাউকে নয়।’