সাধারণত প্রথম একাদশে যাঁরা থাকেন, তাঁদের জার্সি নম্বর বণ্টন করা হয় আগে। এরপর অন্যদের জার্সি নম্বর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে দলে খেলোয়াড়টির অবস্থান, মাঠের পজিশন, তারকামূল্য—এই সবই বিবেচনায় নেওয়া হয়। বয়স বিবেচনা নিয়ে জার্সি নম্বর বণ্টনের বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুতই।

ফন গালের মুখে বয়স ধরে জার্সি নম্বর দেওয়ার কথা শুনে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি মজা করছেন? বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আয়াক্সের সাবেক কোচ জবাব দেন, ‘মজা করছি না। সংবাদ সম্মেলনে আমি কখনো মজা করি না। বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কাজটি করা হয়েছে।’

ফন গাল অবশ্য প্রকাশ করেননি কোন খেলোয়াড়কে কত নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছে। তবে তারকা ফুটবলারদের সবারই জার্সি নম্বরই আগের মতোই থাকতে পারে। যেমন মেম্পিস ডিপাই ১০ নম্বর, ডি ইয়ং ২১ নম্বর, ম্যাথিয়াস ডি লিট ৩ ও ভার্জিল ফন ডাইক ৪ নম্বর জার্সিই পেতে পারেন।

বয়স বিবেচনায় ২৬ নম্বর জার্সি পেতে পারেন চাভি সিমন্স। প্রথমবারের মতো নেদারল্যান্ডস দলে সুযোগ পাওয়া এই ফরোয়ার্ডের বয়স ১৯ বছর, দলে সর্বকনিষ্ঠ।
নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ২১ নভেম্বর, সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘এ’ গ্রুপে অপর দুই ম্যাচে ২৫ নভেম্বর তাদের প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর ও ২৯ নভেম্বর স্বাগতিক কাতার।