বুধবার রাতে উয়েফা নেশনস লিগে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স। প্যারিসের স্তাদ দি ফ্রান্সের ম্যাচটিতে ২-০ ব্যবধানে জিতেছেন এমবাপ্পেরা। অলিভিয়ের জিরুর পাস থেকে দলের প্রথম গোলটি করেন এমবাপ্পে।

ফ্রান্সের আক্রমণভাগে এমবাপ্পের সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া দেখা গেছে আঁতোয়ান গ্রিজমানের সঙ্গেও। ম্যাচের পর ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে জিজ্ঞেস করা হয়, অন্যান্য দিনের তুলনায় এই ম্যাচে একটু বেশিই স্বাধীনতা নিয়ে খেলেছেন কি না।

default-image

কোনো রাখঢাক না রেখেই জবাবে ক্লাব ও জাতীয় দলে নিজের অবস্থানের তুলনা টানেন এমবাপ্পে, ‘(সেখানে) আমি ভিন্নভাবে খেলি। ক্লাবের তুলনায় জাতীয় দলে আমাকে ভিন্নভাবে খেলতে বলা হয়। এখানে আমি প্রচুর স্বাধীনতা পাই। কোচও জানেন, এখানে নাম্বার নাইন হিসেবে জিরুর মতো একজন আছে। যে কিনা রক্ষণের দিকটা দখলে রাখে আর আমি আশপাশে ঘুরে জায়গামতো চলে যেতে পারি।’

পিএসজির ম্যাচে তাঁকে যে শুধু গোল করার কাজই করতে হয়, তা নয়। প্যারিসের দলটির হয়ে খেলার সময় তাঁকে কখনো কখনো রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডারের ভূমিকাও নিতে হয় বলে উল্লেখ করেছেন এমবাপ্পে।

তখন তাঁর কাজটা হয় আক্রমণভাগের সঙ্গে রক্ষণ তথা মাঝমাঠের যোগসূত্র করে দেওয়া, ‘প্যারিসে ব্যাপারটা ভিন্ন। সেখানে আমাকে পিভোটের (রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে আক্রমণভাগের সঙ্গে যিনি রক্ষণ ও মাঝমাঠের যোগসূত্র করে দেন) দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু এখানে ভিন্ন।’

এমবাপ্পের মুখে এভাবে পিএসজি-ফ্রান্স তুলনা শুনতে শুনতে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জাতীয় দলেই কি তবে বেশি মজা পান? এ যাত্রায় অবশ্য কূটনৈতিক ভাষায় চলে যান এমবাপ্পে। হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘আমি সব জায়গাতেই মজা পাই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন