ডিপাইকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস

সম্প্রতি চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন ডিপাইএএফপি

মেম্ফিস ডিপাইকে রেখেই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন নেদারল্যান্ডস কোচ রোনাল্ড কোম্যান। চোট কাটিয়ে সদ্যই মাঠে ফিরেছেন নেদারল্যান্ডসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ডিপাই। ডিপাই ছাড়াও সদ্যই চোট থেকে সেরে ওঠা আরও দুই ফুটবলার আছেন কোম্যানের বিশ্বকাপ দলে।

দেশের হয়ে রেকর্ড ৫৫ গোল করা ৩২ বছর বয়সী ডিপাই ঊরুর চোট কাটিয়ে গত রোববারই তাঁর ব্রাজিলিয়ান ক্লাব করিন্থিয়ানসের হয়ে মাঠে ফিরেছেন। তাঁকে দলে নেওয়া নিয়ে কোম্যান বলেছেন, ‘পুনর্বাসনের প্রক্রিয়াটা আরও আগে শেষ হলে ভালো হতো। ও কতটা ফিট, তা দেখতে আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’

অবশ্য ডিপাই পুরোপুরি ফিট না হতে পারলে কোম্যানের হাতে বিকল্প হিসেবে আছেন রোমার ফরোয়ার্ড ডনিয়েল মালেন।

হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন ডাচ কিংবদন্তি প্যাট্রিক ক্লাইভার্টের ছেলে জাস্টিন ক্লাইভার্ট। আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতা ডিফেন্ডার ইউরিয়েন টিম্বার্সও চোট কাটিয়ে সদ্যই ফিরেছেন এবং দলে ডাক পেয়েছেন। দলে ইউরিয়েন সঙ্গে আছেন তাঁর ভাই কুইন্টেন টিম্বার্সও। স্কোয়াডে একমাত্র নতুন মুখ ওয়েস্ট হামের উইঙ্গার ক্রিসেনসিও সামারভিল।

নেদারল্যান্ডস কোচ রোনাল্ড কোম্যান
এএফপি

ডাচদের অভিজ্ঞ রক্ষণভাগকে নেতৃত্ব দেবেন লিভারপুলের তারকা ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক। গত এপ্রিলে টটেনহামের হয়ে খেলার সময় এসিএল চোটে পড়ে মিডফিল্ডার জাভি সিমন্সের ছিটকে যাওয়া দলটির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। এ ছাড়া চোটের কারণে স্কোয়াডে নেই দুই নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার স্টিফান ডি ফ্রাই ও ম্যাথিস ডি লিট।

অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপের টিকিট কাটা ৭ নম্বর র‍্যাঙ্কিংয়ের নেদারল্যান্ডস রয়েছে গ্রুপ ‘এফ’–এ, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সুইডেন, জাপান ও তিউনিসিয়া। তিনবার ফাইনালে (১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ২০১০) গিয়েও রানার্সআপ হওয়া ডাচরা এখনো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়নি।

নেদারল্যান্ডসের ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: বার্ট ভারব্রুগেন (ব্রাইটন), রবিন রুফস (সান্ডারল্যান্ড), মার্ক ফ্লেকেন (বায়ার লেভারকুসেন)।

ডিফেন্ডার: ইউরিয়েন টিম্বার্স (আর্সেনাল), মিকি ফন ডে ভেন (টটেনহাম), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল), নাথান আকে (ম্যানচেস্টার সিটি), ইয়োরেল হাটো (চেলসি), ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান), ইয়ান পল ফন হেকা (ব্রাইটন)।

মিডফিল্ডার: রায়ান,গ্রাভেনবার্চ (লিভারপুল), তিজানি রেইন্ডার্স (ম্যানচেস্টার সিটি), ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং (বার্সেলোনা), তেউন কুপমেইনার্স (জুভেন্টাস), মার্টেন ডি রুন (আতালান্তা), কুইন্টেন টিম্বার্স (মার্সেই), গুস তিল (পিএসভি আইন্দহোভেন), ম্যাটস ভাইফার (ব্রাইটন)।

ফরোয়ার্ড: ব্রায়ান ব্রোবি (সান্ডারল্যান্ড), মেম্ফিস ডিপাই (করিন্থিয়ানস), কোডি গাকপো (লিভারপুল), জাস্টিন ক্লাইভার্ট (বোর্নমাউথ), নোয়া ল্যাং (গালাতাসারাই), ডনিয়েল মালেন (রোমা), ক্রিসেনসিও সামারভিল (ওয়েস্ট হ্যাম), ভাউট ভেগহোর্স্ট (আয়াক্স)।