ব্রাইটনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৯ ম্যাচ অপরাজিত ছিল চেলসি। অন্যদিকে ব্রাইটন ছন্দে ছিল না মোটেই। চেলসির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে জয় ছিল না তাদের। ছন্দে না থাকা ব্রাইটন যেন নিজেদের সবটাই নিংড়ে দিল সাবেক কোচ পটারের দলের বিপক্ষে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাইটন। ম্যাচের ৪ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। তবে থিয়াগো সিলভা গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত গোলটা রুখে দেন। ৪ মিনিটে যে সিলভার কল্যাণে গোল হজম করতে হয়নি চেলসির, এক মিনিট পরই সেই সিলভার ভুল পাসেই গোল খেয়ে বসে পটারের দল। গোল করেন লিয়ান্দ্রো ত্রোসার।

চলতি মৌসুমে এটি তাঁর পাঁচ নম্বর গোল।ম্যান সিটি, লিভারপুলের বিপক্ষে আগেই গোল করেছেন, এবার করলেন চেলসির বিপক্ষে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করে চেলসি। এবারের আত্মঘাতী গোল করেন রুবেন লোফটাস-চিক। সলি মার্চের কর্নার ক্লিয়ার করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালে বল জড়ান এই মিডফিল্ডার।

৪২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ব্রাইটন। এবার চালোবার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় তারা। চেলসির সামনেও সুযোগ ছিল। তবে পুলিসিক গোলপোস্ট ফাঁকা পেয়েও জালে বল জড়াতে পারেননি।

৩-০ গোলে পিছিয়ে থাকার ম্যাচে বিরতি থেকে ফিরেই গোল প্রয়োজন ছিল চেলসির। যে কাজটা খুব ভালোভাবেই করেছে কাই হাভার্টজ। কনর গ্যালাঘারের সহায়তায় ৪৮ মিনিটে দারুণ হেডে গোল করেন হাভার্টজ। এরপর চেলসি আক্রমণ চালিয়েছে আরও কয়েকবার।

সম্ভাবনা জাগলেও কাঙ্ক্ষিত গোল আসছিল না। গোল পেতে মরিয়া পটার ৮০ মিনিটে মাঠে নামান হাকিম জিয়েখ ও আর্মান্দো বোরহাকে। তবে ব্রাইটনের রক্ষণদুর্গ ভাঙতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে বড় সুযোগ নষ্ট করেন হাভার্টজ। উল্টো অতিরিক্ত সময়ে আরও ১ গোল খেয়ে বসে চেলসি। রবার্তো ডি জার্ভির অধীনে এটাই ব্রাইটনের প্রথম জয়।

প্রিমিয়ার লিগের আরেক ম্যাচে বোর্নমাউথকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে টটেনহাম। কিফার মুরের দুই গোলে প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বোর্নমাউথ। তবে বিরতির পর ম্যাচে ফেরে টটেনহাম। রায়ান সেসেগনন ও বেন ডেভিস সমতায় ফেরান টটেনহামকে। যোগ করা সময়ে রদ্রিগো বেনতানকুরের গোলে বোর্নমাউথের মাঠ থেকে ৩ পয়েন্ট নিয়েই ফিরেছেন হ্যারি কেইনরা।