কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে এদিন ম্যান সিটি শুরুটা তাদের মতো করেই করেছে। শুরু থেকেই বল নিজেদের দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে আনাগোনা করছিলেন আলভারেজরা। শুরুতে নিজেদের মাঠে লেস্টারকে ঠিক কতটা চাপে রেখেছে সিটি, তা বোঝা যাবে আরেকটা পরিসংখ্যানে-ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে সিটি গোল পোস্টে শট নেয় ৫ টি। অথচ লেস্টারের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা তখনও একবারও বল পায়নি। বল পায়ে এত দাপটের পরও অবশ্য কাঙ্ক্ষিত গোলটা পাচ্ছিল না সিটি।

সিটি ম্যাচের প্রথম সুযোগ পায় ৯ মিনিটে। হুলিয়ান আলভারেজের ৬ গজ দূর থেকে করা দুর্বল হেড লেষ্টার সিটির গোলরক্ষক ড্যানি ওয়ার্ডকে খুব বেশি পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারেনি। সিটি তাদের বড় সুযোগটা পায় ১৭ মিনিটে। বের্নার্দো সিলভার শট ওয়ার্ডকে ফাঁকি দিতে পারেনি।

এরপর যেন লেস্টার চাপ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা শুরু করে। ম্যান সিটির ডি বক্সে পরপর কয়েকটি আক্রমণ করে তারা। যদিও সফলতা পাননি ভার্ডি-বার্নসরা। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও তাঁদের সামনে কয়েকটি সুযোগ এসেছিল, তবে তা কাজে লাগাতে পারেননি। অন্যদিকে ম্যাচের প্রথম অর্ধে গোল পোস্টে ১০ শট নেওয়া সিটিও গোল পায়নি।

৬ সপ্তাহ ধরেই অ্যাওয়ে ম্যাচে গোল পাচ্ছে না সিটি। প্রথমার্ধে স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় এই ম্যাচেও তারই পুনরাবৃত্তির আভাস পাচ্ছিলেন অনেকে! তবে ডি ব্রুইনা-জাদুতে তা আর হয়নি। বিরতি থেকে ফিরে ৪৯ মিনিটে নান্দনিক এক ফ্রি-কিকে ম্যান সিটিকে এগিয়ে দেন ডি ব্রুইনা। ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শটটি রুখতে ডাইভ দিয়েছিলেন ওয়ার্ড। কিন্তু বলের নাগাল তিনি পাননি।

ম্যাচজুড়ে দারুণ খেলতে থাকা ওয়ার্ডকে ফাঁকি দিতে এমন কিছু্রই প্রয়োজন ছিল সিটির। মাঠে না থাকলেও দলের জয়ে বাইরে থেকেই আনন্দ প্রকাশ করেছেন হলান্ড। ডি ব্রুইনার গোলে মুগ্ধ হয়ে এই মিডফিল্ডারের নাম লিখে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে টুইট করেন এ স্ট্রাইকার।

ডি ব্রুইনার গোলের মাত্র ৪ মিনিট পরই তাঁর গোল অনেকটা শোধ করেই দিয়েছিল লেস্টার। তবে সিটি গোলরক্ষক এদেরসনের দারুণ সেভে সে যাত্রা রক্ষা পায় সিটি। এরপর থেকেই আক্রমণের ধার বাড়ে লেস্টারের। সিটিকে কয়েক দফা রক্ষা করেন এদেরসন।