আঘাতটা এতই গুরুতর ছিল যে মাঠেই বেইরানভন্দের নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। এই আঘাত মাথা পর্যন্ত গড়িয়ে ‘কনকাশন’-এ রূপ নেওয়ার শঙ্কাও তৈরি হয়। তবে প্রায় ২০ মিনিট ধরে শুশ্রূষার পর বেইরানভন্দ খেলারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ওদিকে বদলি গোলকিপার হোসেইন হোসেইনিও প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু বেইরানভন্দ নিজেই খেলা আবার শুরু হওয়ার পর কোচ কার্লোস কুইরোজকে তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বলেন। এরপর তাঁর বদলি হিসেবে নামের হোসেইন হোসেইনি।

ইরানের জার্সিতে বেইরানভন্দের এটি দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। চার বছর আগেই বেইরানভন্দের সংগ্রামী জীবনের গল্প বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমে এসেছিল। গোলকিপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বিশেষত্ব হচ্ছে বল থ্রো করে অনেক দূর পাঠানোর সক্ষমতা। অনেকবারই লম্বা থ্রো করে তিনি বল ফরোয়ার্ডদের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছেন, যেটি থেকে গোল এসেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইরানের বিপক্ষে ৫-১ গোলে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড।