শিরোপার পথে ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার বাধা কারা
গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে ২৮টি দল। আগামীকাল ভোরেই নিশ্চিত হয়ে যাবে বাকি ৪টি জায়গা। এরপরই শুরু হয়ে যাবে নকআউটের বাঁচা-মরার লড়াই। সেই লড়াইয়ে ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার পথটা কী রকম? কীভাবে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছতে পারে দুই দল?
শেষ ৩২-এ ব্রাজিল মুখোমুখি হবে এশিয়ান পরাশক্তি জাপানের। ২৯ জুন রাত ১১টায় হিউস্টনে মুখোমুখি হবে দুই দল। জাপান–বাধা পার হতে পারলে ব্রাজিলের জন্য অপেক্ষা করছে আর্লিং হলান্ডের নরওয়ে। সে জন্য অবশ্য নরওয়েকে পার হতে হবে আইভেরিকোস্টের বাধা। শেষ ৩২–এর বাধা পেরোতে পারলে ৫ জুলাই রাত দুইটায় নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শেষ ১৬-এর ম্যাচে মাঠে নামবে ব্রাজিল।
সবকিছু ঠিক থাকলে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। সে জন্য অবশ্য ইংল্যান্ডকেও পার হতে হবে শেষ ৩২ ও শেষ ১৬-এর বাধা। মায়ামিতে ১১ জুলাই রাত তিনটায় কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামবে ব্রাজিল।
ব্রাজিলের তুলনায় আর্জেন্টিনার পথটা কিছু সহজই বৈকি। তাদের জন্য শেষ ৩২-এ অপেক্ষা করছে এবারের বিশ্বকাপের চমক কেপ ভার্দে। আগামী ৪ জুলাই ভোর চারটায় মেসির শহর মায়ামিতে মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বজয়ীরা। কেপ ভার্দেকে হারাতে পারলে শেষ ১৬-তে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হতে পারে মিসর অথবা অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৭ জুলাই রাত ১০টা আটালান্টায় আর্জেন্টিনার শেষ ১৬-এর খেলা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কানসাসে ১২ জুলাই সকাল সাতটায় ২০২৬ বিশ্বকাপের ১০০তম ম্যাচ হবে আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল। সেখানে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।
আর যদি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সব পথ পাড়ি দিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে ১৫ জুলাই রাত একটায় আটালান্টায় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালেই দেখা হবে দুই দলের। সেটির অপেক্ষাতেই আছে পুরো বিশ্ব। এখন দেখার অপেক্ষা, ব্রাজিল আর্জেন্টিনা এই পথটা পাড়ি দিতে পারে কি না।