কাতারে ‘ফিনালিসিমা’ আয়োজনের পরিকল্পনা থেকে সরেনি উয়েফা

সুইজারল্যান্ডের নিওনে উয়েফার সদরদপ্তররয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত যুদ্ধের সূচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই যুদ্ধে কাতার এরই মধ্যে ইরানের মিসাইল হামলার লক্ষ্যবস্তুও হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচ চলতি মাসে কাতারেই আয়োজন করার পরিকল্পনা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা।

গত বৃহস্পতিবার উয়েফা জানায়, ২৭ মার্চ কাতারে দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এই ম্যাচটি আয়োজনের ক্ষেত্রে ‘আপাতত বিকল্প কোনো ভেন্যু বিবেচনা করা হচ্ছে না’। এই ম্যাচে মুখোমুখি হতে পারেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও স্পেনের তারকা লামিনে ইয়ামাল।

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবলকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচটি আয়োজন করছে উয়েফা। ইউরোপীয় ফুটবলের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা আরও জানিয়েছে, ‘আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-স্পেন ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। এই মাঠে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।

ফিনালিসিমায় লামিনে ইয়ামালের মুখোমুখি হতে পারেন মেসি
রয়টার্স

উয়েফার সঙ্গে কাতারের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। কাতারের মালিকানাধীন ক্লাব পিএসজির সভাপতি এবং দেশটির শীর্ষ ফুটবল কর্মকর্তা নাসের আল খেলাইফি উয়েফার নির্বাহী কমিটির সদস্য। উয়েফার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ম্যাচটি সফলভাবে আয়োজন করতে স্থানীয় আয়োজকেরা ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

আরও পড়ুন

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে দোহায় ম্যাচটি আয়োজন করা সম্ভব না হলে স্পেন বা ইউরোপের অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। কারণ, দুই দলের প্রায় সব খেলোয়াড়ই ইউরোপভিত্তিক।

ইতালির বিপক্ষে ফিনালিসিমা জয়ের শিরোপা হাতে মেসি
রয়টার্স

২০২২ সালের জুনে লন্ডনে প্রথম ফিনালিসিমায় ইতালিকে ৩-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। গত রোববার কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ঘোষণায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর সৃষ্ট বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কাতারের সব টুর্নামেন্ট ও ম্যাচ পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ৩১ মার্চ কাতারের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা আর্জেন্টিনার। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ম্যাচের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত।

আরও পড়ুন